বাংলা লাইভ নিউজ ডেস্ক: মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে দেশের আলেম ও ইসলামি বিশেষজ্ঞদের অগ্রণী ভূমিকা রাখার আহ্বান নিশ্চিত করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. খন্দকার মারুফ হোসেন। তিনি স্পষ্ট ব্যক্ত করেছেন, পবিত্র কোরআন ও হাদিসের আলোকে মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে পারলে সমাজ থেকে মাদকের বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে।
- •মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে দেশের আলেম ও ইসলামি বিশেষজ্ঞদের অগ্রণী ভূমিকা রাখার আহ্বান নিশ্চিত করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. খন্দকার মারুফ হোসেন।
- •তিনি স্পষ্ট ব্যক্ত করেছেন, পবিত্র কোরআন ও হাদিসের আলোকে মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে পারলে সমাজ থেকে মাদকের বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে।
- •ড. খন্দকার মারুফ উল্লেখ করেন, মসজিদের মুসল্লি ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদকসহ সব ধরনের হারাম বস্তুর বিষয়ে পবিত্র কোরআন ও হাদিসের বিস্তারিত ব্যাখ্যা তুলে ধরতে হবে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) রাতে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার কাটারাপাড়া তা’লিমুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসা ও এতিমখানা প্রাঙ্গণে আয়োজিত ২৭তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা উল্লেখ করেন। ড. খন্দকার মারুফ উল্লেখ করেন, মসজিদের মুসল্লি ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদকসহ সব ধরনের হারাম বস্তুর বিষয়ে পবিত্র কোরআন ও হাদিসের বিস্তারিত ব্যাখ্যা তুলে ধরতে হবে।
এ ক্ষেত্রে দেশের খতিব, ইমাম ও ইসলামি বিশেষজ্ঞরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। তাঁদের দেওয়া ধর্মীয় পরামর্শ ও নির্দেশনা মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে এবং বিভ্রান্ত মানুষকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ মুসলিম। রাজধানী ঢাকা বিশ্বে ‘মসজিদের শহর’ হিসেবে পরিচিত। তাই ইসলামি পণ্ডিত ও ধর্মীয় নেতারা শরিয়াহর আলোকে মাদকের ক্ষতিকর দিকগুলো তুলে ধরলে সাধারণ মানুষ আরও সচেতন হবে।
এর মাধ্যমে সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা সহজ হবে। মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরে বিএনপির এই নেতা উল্লেখ করেন, মাদকাসক্ত যুবসমাজ কখনো দেশ ও জাতির কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না।
মাদকাসক্তি সমাজের জন্য বড় ধরনের বোঝা। তাই বিপথগামী তরুণদের ইসলামের শান্তির পথে ফিরিয়ে আনতে হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইসলাম মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যকে হারাম ঘোষণা করেছে।
ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকের বিস্তার উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। পবিত্র মুসলিম ও তিরমিজি শরিফে বর্ণিত হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, নেশা সৃষ্টিকারী প্রতিটি বস্তু হারাম।
যে বস্তু বেশি পরিমাণে গ্রহণ করলে নেশা সৃষ্টি করে, তার অল্প পরিমাণ গ্রহণও নিষিদ্ধ। ড. খন্দকার মারুফ উল্লেখ করেন, ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক বৈধ পণ্যের মতো ছড়িয়ে পড়ছে, যা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করতে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। মাদকসেবী ও মাদক কারবারিদের সামাজিকভাবে বর্জনের পাশাপাশি মাদকের ব্যবহার ও কেনাবেচা বন্ধে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান তুলে ধরেন তিনি।
এ সময় কিশোর গ্যাংয়ের ভয়াবহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। এসব অপরাধ দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সমাজের অভিজাত ও সচেতন শ্রেণির মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন বিশিষ্ট ইসলামি আলোচক মাওলানা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন দাউদকান্দি পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকার, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পিটার চৌধুরী, পৌর যুবদলের শরীফ চৌধুরী, দাউদকান্দি উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব রোমান খন্দকার, শাহনাজ ভূঁইয়া ও জাহাঙ্গীর আলম মিয়াজি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাদ্রাসার সভাপতি প্রকৌশলী মো. আশরাফুর রাহিম ইমন সরকার।
পাঠকের মতামত 0
শালীন ও গঠনমূলক মন্তব্য কাম্যআপনার মন্তব্য লিখুন
আপনার ইমেইল ঠিকানাটি গোপন রাখা হবে। তারকা চিহ্নিত (*) ঘরগুলো পূরণ করা বাধ্যতামূলক।