বাংলা লাইভ নিউজ ডেস্ক: ভোলায় পাচারের সন্দেহে ২৯০ বস্তা সার আটক, গোডাউন সিলগালা ভোলার ইলিশায় নদীপথে সার পাচারের সন্দেহে ২৯০ বস্তা সার আটক করেছেন স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে সারগুলো জব্দ করে একটি গোডাউন সিলগালা করেছেন ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সজল কুমার দাশ।

📌 এক নজরে মূল বিষয়:
  • •ভোলায় পাচারের সন্দেহে ২৯০ বস্তা সার আটক, গোডাউন সিলগালা ভোলার ইলিশায় নদীপথে সার পাচারের সন্দেহে ২৯০ বস্তা সার আটক করেছেন স্থানীয়রা।
  • •পরে খবর পেয়ে সারগুলো জব্দ করে একটি গোডাউন সিলগালা করেছেন ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সজল কুমার দাশ।
  • •মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে ভোলা সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের চর ইলিশা গ্রামের দারগার খাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে ভোলা সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের চর ইলিশা গ্রামের দারগার খাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভোলার কৃষকদের জন্য বরাদ্দ করা সরকারি সার বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে জেলার বাইরে পাচার করা হচ্ছিল।

তবে সংশ্লিষ্টদের দাবি, সারগুলো বিভিন্ন চরের কৃষকদের কাছে পাঠানোর জন্য নেওয়া হচ্ছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার নদীপথে ভোলা থেকে মাদারীপুরে সার নিয়ে যাওয়ার সময় সন্দেহ হলে স্থানীয় লোকজন সারবোঝাই একটি ট্রলার ও একটি নসিমন থেকে ২৯০ বস্তা সার আটক করেন।

প্রতিটি বস্তায় ৫০ কেজি করে সরকারি মূল্য নির্ধারিত টিএসপি ও ডিএপি (ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট) সার ছিল। আটক ট্রলারের মাঝি শহীদ তুলে ধরেন, চর ইলিশা গ্রামের রফিক মাঝি ও মন্নান সারগুলো বিএডিসি সার ও বীজ ডিলার মেসার্স মিজান ট্রেডার্স থেকে কিনেছেন।

ভোলার বিভিন্ন চরের কৃষকদের কাছে পাঠানোর জন্য সেগুলো তার মাধ্যমে নেওয়া হচ্ছিল। জেলার বাইরে পাচারের উদ্দেশ্যে সারগুলো নেওয়া হচ্ছিল না বলে দাবি করেন তিনি।

কৃষক রফিকও দাবি করেন, তিনি সারগুলো কিনে চরে পাঠানোর জন্য নৌকায় তুলছিলেন। স্থানীয়রা না বুঝে সেগুলো আটক করেছেন। তবে সার কেনার কোনো রসিদ দেখাতে পারেননি তিনি।

স্থানীয় কৃষক মাইনুদ্দিন তুলে ধরেন, ট্রলারের মাঝি শহীদের কাছ থেকে পাওয়া একটি রসিদে ৮০ বস্তা ডিএপি সারের মূল্য প্রতি বস্তা ১ হাজার ৫০ টাকা হিসেবে মোট ৮৪ হাজার টাকা উল্লেখ রয়েছে। ৮০ বস্তার রসিদ থাকলে বাকি ২১০ বস্তা সার কোথা থেকে এলো।

তিনি অভিযোগ করেন, ভোলার সাধারণ কৃষকদের কাছে স্বল্পমূল্যে সার বিক্রি না করে অধিক মুনাফার আশায় জেলার বাইরে নেওয়া হচ্ছিল। এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিএডিসি সার ডিলারের লাইসেন্স বাতিলের দাবি তুলে ধরেন তিনি।

কৃষক মাকসুদ অভিযোগ করেন, ডিলাররা কৃষকদের নামে ভুয়া ভাউচার তৈরি করে সার উত্তোলন করেন। পরে বেশি দামে বিক্রির আশায় জেলার বাইরে নিয়ে যান।

এতে ভোলার কৃষকরা প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না। মাঠপর্যায়ে সারের সংকট থাকলেও ডিলাররা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অধিক মুনাফা করছেন বলে অভিযোগ তার।

[সম্পাদকীয় নোট: বাংলা লাইভ নিউজ বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন পরিবেশন করে। যেকোনো নতুন তথ্য প্রাপ্তিসাপেক্ষে প্রতিবেদনটি নিয়মিত হালনাগাদ হতে পারে।]