বাংলা লাইভ নিউজ ডেস্ক: সাজেকে টানা সড়ক অবরোধে বিপর্যস্ত জনজীবন এক দিন বিরতি দিয়ে সাজেকে চতুর্থ দফায় অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ পালিত হচ্ছে। সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল থেকেই পাঁচ দফা দাবিতে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে এই অবরোধ।

📌 এক নজরে মূল বিষয়:
  • •সাজেকে টানা সড়ক অবরোধে বিপর্যস্ত জনজীবন এক দিন বিরতি দিয়ে সাজেকে চতুর্থ দফায় অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ পালিত হচ্ছে।
  • •সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল থেকেই পাঁচ দফা দাবিতে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে এই অবরোধ।
  • •অবরোধকারীরা সড়কের বিভিন্নস্থানে গাছের গুঁড়ি ফেলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির চেষ্টা করেন।

অবরোধকারীরা সড়কের বিভিন্নস্থানে গাছের গুঁড়ি ফেলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির চেষ্টা করেন। তবে এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। ফলে সাজেক সড়কে বড় ধরনের কোনো যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়নি।

​সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জেএসএসের সদস্যদের সাজেক এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধসহ বিভিন্ন দাবিতে এই অবরোধের ডাক দেওয়া সম্পন্ন হয়েছে। গত ২২ অক্টোবর থেকে টানা ১০ দিন সাজেকে সড়ক অবরোধ চলে। পরে চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য সরবরাহ এবং স্থানীয় মানুষের মৌলিক চাহিদার কথা বিবেচনা করে রবিবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অবরোধ শিথিল করা হয়। তবে শিথিলকরণের ওই সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম রক্ষা কমিটি নামের একটি শ্রমিক সংগঠনের খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা-সাজেক-বাঘাইছড়ি সড়কে ডাকা পৃথক অবরোধের কারণে সাজেক সড়কে কোনো পণ্যবাহী যানবাহন প্রবেশ করতে পারেনি। এক দিনের বিরতি শেষে সোমবার সকাল থেকে পুনরায় অনির্দিষ্টকালের অবরোধ শুরু হওয়ায় সাজেকের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়ে দেখা দিয়েছে। সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন উল্লেখ করেন, অবরোধের কারণে সড়কে বড় ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এদিকে সাজেকের বর্তমান পরিস্থিতি নিরসনে গত ২৬ অক্টোবর উজোবাজারে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন খাগড়াছড়ি আসনের সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া, রাঙামাটি আসনের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। বৈঠকে আন্দোলনকারীদের পাঁচ দফা দাবির মধ্যে চারটিতে সমঝোতা হলেও একটি দাবি নিয়ে মত পার্থক্য থাকায় আলোচনা অমীমাংসিত থেকে যায়। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পরবর্তী সময়ে কোনো বৈঠকের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ এখনো দেখা যায়নি। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শনিবার ও রোববার দুই দিন সাজেক জেএসএস-ইউপিডিএফ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

[সম্পাদকীয় নোট: বাংলা লাইভ নিউজ বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন পরিবেশন করে। যেকোনো নতুন তথ্য প্রাপ্তিসাপেক্ষে প্রতিবেদনটি নিয়মিত হালনাগাদ হতে পারে।]