বাংলা লাইভ নিউজ ডেস্ক: মিশিগানে এল সাঈদের ঐতিহাসিক বিজয়ে উচ্ছসিত বাংলাদেশি কমিউনিটি সুলায়মান আল মাহমুদ, মিশিগান বিপক্ষ রিপাবলিকান শিবির নির্বাচনি প্রচারণার সময় তাঁর ধর্ম পরিচয়কে সামনে এনে বিভিন্ন বিদ্রুপ মন্তব্য করতো। এমনকি খোদ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও তাঁর বিরুদ্ধে কটাক্ষে সরব ছিলেন।
- •এমনকি খোদ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও তাঁর বিরুদ্ধে কটাক্ষে সরব ছিলেন।
- •এমনকি ট্রাম্প তাকে ‘জিহাদিস্ট’বা ধর্মীয় উগ্রবাদি হিসেবেও আখ্যায়িত করেছিলেন।
- •কিন্তু যুক্তরাজ্যের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ভোটাররা যেন সেই কটাক্ষেরই জবাব দিলো ব্যালটের মাধ্যমে।
এমনকি ট্রাম্প তাকে ‘জিহাদিস্ট’বা ধর্মীয় উগ্রবাদি হিসেবেও আখ্যায়িত করেছিলেন। কিন্তু যুক্তরাজ্যের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ভোটাররা যেন সেই কটাক্ষেরই জবাব দিলো ব্যালটের মাধ্যমে।
আর তাই ঐতিহাসিক বিজয়ে ভোটারদের সামনে এভাবেই গর্বভরে নিজের নাম উচ্চারণ করেন ড. এল-সায়েদ। তিনি উল্লেখ করেন, “আমার নাম আবদুর রহমান মোহাম্মদ এল-সায়েদ।
মিশিগান অঙ্গরাজ্য থেকে আপনাদের নির্বাচিত সিনেটর হিসেবে এখানে দাঁড়াতে পেরে আমি অত্যন্ত গর্বিত ও সম্মানিত বোধ করছি। এতদিন পর্যন্ত আপনারা হয়তো লক্ষ্য করে থাকবেন যে, এই নির্বাচনের ফলাফলের প্রসঙ্গ উঠলেই আমি সবসময় বলতাম, ইনশাআল্লাহ।
কিন্তু আজ এই রাতে আমরা সেই ইনশাআল্লাহ কে আলহামদুলিল্লাহ তে রূপান্তর করতে পারছি। ” যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম সিনেটর আবদুল আল-সাইয়েদের পরিচয় এদিকে, এল সাঈদের নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যাপকভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন বাংলাদেশি অ্যামেরিকানরা।
তাই, এল সাঈদের বিজয়ে উচ্ছসিত তারা। মিশিগান ডেমোক্রেটিক পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান ড. নাজ ইসলাম বলছেন, ব্যালটের মাধ্যমে ঘৃণার জবাব দিয়েছে ভোটাররা।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, “আজ এক বিশাল ইতিহাস রচিত সম্পন্ন হয়েছে। আমাদের আব্দুল এল সাঈদকে নির্বাচিত করার মধ্যদিয়ে ভোটাররা সমস্ত গোঁড়ামি, নোংরামি এবং বিদ্বেষের জবাব দিয়েছে।
” মিশিগানে এল সাঈদের পক্ষে বাংলাদেশি-অ্যামেরিকানদের জোর প্রচারণা অন্যদিকে, ঐতিহাসিক এ জয়ে বাংলাদেশি অ্যামেরিকান ড. খাজা সাহাব আহমেদ উল্লেখ করেন, “আগামী দিনের চাওয়া বিশেষ করে আমরা যারা ইমিগ্র্যান্ট মাইনরিটি রয়েছি, আমাদের চাওয়া তিনি আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করবেন। ” গত আগস্ট মাসে একটি কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ প্রাইমারি নির্বাচনে জয়লাভের পর— সাঈদকে হারাতে ‘আমেরিকান ইসরায়েল পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি’তথা এইপ্যাক বিপুল অর্থ ব্যয় করে।
ইসরায়েলের নীতির সমালোচক এ মিশরীয় বংশোদ্ভুত অ্যামেরিকানের বিরুদ্ধে কমপক্ষে ৪২ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ ব্যয় করে তারা।
পাঠকের মতামত 0
শালীন ও গঠনমূলক মন্তব্য কাম্যআপনার মন্তব্য লিখুন
আপনার ইমেইল ঠিকানাটি গোপন রাখা হবে। তারকা চিহ্নিত (*) ঘরগুলো পূরণ করা বাধ্যতামূলক।