বাংলা লাইভ নিউজ ডেস্ক: তারই ধারাবাহিকতায় উয়েফার সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতার ইতিহাসে তারা প্রথম দল হিসেবে অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলতে নেমে ৯ গোল করেছে। ফরাসি ক্লাব লঁসের মাঠে গিয়ে স্বাগতিকদের রীতিমতো বিধ্বস্ত (৯-১) করেছে কোমো।

📌 এক নজরে মূল বিষয়:
  • •তারই ধারাবাহিকতায় উয়েফার সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতার ইতিহাসে তারা প্রথম দল হিসেবে অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলতে নেমে ৯ গোল করেছে।
  • •ফরাসি ক্লাব লঁসের মাঠে গিয়ে স্বাগতিকদের রীতিমতো বিধ্বস্ত (৯-১) করেছে কোমো।
  • •সেস ফাব্রেগাসের দলটি এবারই চ্যাম্পিয়ন্স লিগের অভিষেক মৌসুম খেলছে।

সেস ফাব্রেগাসের দলটি এবারই চ্যাম্পিয়ন্স লিগের অভিষেক মৌসুম খেলছে। প্রথমবার সর্বোচ্চ ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় দারুণ ছন্দেও রয়েছে ইতালিয়ান ক্লাব কোমো।

চার ম্যাচের মধ্যে এটি তাদের তৃতীয় জয়। এই জয়ে লিগ পর্বের পয়েন্ট তালিকায় চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে দলটি। লঁসকে উড়িয়ে দেওয়ার পথে কোমোর হয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন তাসোস দুভিকাস।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দলটির চারটি ম্যাচেই তিনি গোল করেছেন। ছয় গোল নিয়ে এবারের প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায়ও শীর্ষে রয়েছেন এই ফরোয়ার্ড।

গোল পেয়েছেন আর্জেন্টাইন তরুণ প্রতিভা নিকো পাজও। তবে গোলের পর সতীর্থদের সঙ্গে উদযাপনে মাতেননি তিনি। বরং তেনেরিফের ফরোয়ার্ড হেসুস দে মিগেলের ছবি সংবলিত একটি টি-শার্ট হাতে তুলে নেন।

প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের সঙ্গে মাঠে সংঘর্ষের পর মারা গিয়েছিলেন দে মিগেল। ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তেনেরিফের যুব দলে খেলেছিলেন পাজ।

এ ছাড়া কোমোর হয়ে একটি করে গোল করেছেন লুকাস দা কুনহা, মার্ক-অলিভার কেম্পফ, মাত্তিয়া লিবেরালি, মার্তিনা বাতুরিনা ও মাত্তেও পাপাচ্চিওলি। বিশেষভাবে নজর কেড়েছেন ১৮ বছর বয়সি পাপাচ্চিওলি।

দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে মাঠে নামা এই ফুটবলার কোমোর যুব দলের সদস্য। এখনও ইতালির শীর্ষ লিগ সিরি আ-তে খেলারও অভিজ্ঞতাও হয়নি তার।

অথচ চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মঞ্চে গোলের দেখা পেয়েছেন তিনি।

[সম্পাদকীয় নোট: বাংলা লাইভ নিউজ বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন পরিবেশন করে। যেকোনো নতুন তথ্য প্রাপ্তিসাপেক্ষে প্রতিবেদনটি নিয়মিত হালনাগাদ হতে পারে।]