বাংলা লাইভ নিউজ ডেস্ক: ঘুষ গ্রহণের সময় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ফাঁদ অভিযানে হাতেনাতে গ্রেফতার লালবাগ রাজস্ব সার্কেলের সার্ভেয়ার মো. আসাদুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন।

📌 এক নজরে মূল বিষয়:
  • •ঘুষ গ্রহণের সময় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ফাঁদ অভিযানে হাতেনাতে গ্রেফতার লালবাগ রাজস্ব সার্কেলের সার্ভেয়ার মো. আসাদুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
  • •মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন।
  • •দুদকের সহকারী পরিচালক মো. মাহাবুব মোর্শেদ আদালতে আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

দুদকের সহকারী পরিচালক মো. মাহাবুব মোর্শেদ আদালতে আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, আসাদুল ইসলাম লালবাগ রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের সার্ভেয়ার হিসেবে কর্মরত।

জমির সীমানা নির্ধারণ ও নামজারি-সংক্রান্ত কাজ করে দেওয়ার বিনিময়ে অভিযোগকারী মো. মনিরুল ইসলামের কাছে ১ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন তিনি। দুদকের ফাঁদ অভিযানের অংশ হিসেবে গত ২ নভেম্বর ১ লাখ টাকা ইনভেন্টরি করে অভিযোগকারীকে দেওয়া হয়।

পরদিন ৩ নভেম্বর বেলা ১১টার দিকে লালবাগ রাজস্ব সার্কেলের কার্যালয়ে নিজের কক্ষে ওই টাকা গ্রহণ করেন আসাদুল। এ সময় দুদকের ফাঁদ টিম তাকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে।

অভিযানের সময় তার ব্যবহৃত ডান পাশের সাইড টেবিলের দ্বিতীয় ড্রয়ারে খাকি রঙের একটি খাম থেকে ১০০ টাকা মূল্যমানের এক হাজার নোট উদ্ধার করা হয়। মোট এক লাখ টাকা উদ্ধার করা নোটের নম্বর আগের দিন ইনভেন্টরি করা টাকার নম্বরের সঙ্গে মিলে যায়।

এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ১৬১ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা করা সম্পন্ন হয়েছে। দুদকের আবেদনে বলা হয়, আসামি জামিনে মুক্তি পেলে পলাতক হওয়ার পাশাপাশি তদন্তে বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারেন।

মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে কারাগারে আটক রাখা প্রয়োজন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পরবর্তী সময়ে রিমান্ডের আবেদন করা হওয়ার জোর সম্ভাবনা রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

[সম্পাদকীয় নোট: বাংলা লাইভ নিউজ বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন পরিবেশন করে। যেকোনো নতুন তথ্য প্রাপ্তিসাপেক্ষে প্রতিবেদনটি নিয়মিত হালনাগাদ হতে পারে।]