বাংলা লাইভ নিউজ ডেস্ক: ওই জমির সীমানা নির্ধারণ, সরকারি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির সীমানা পৃথক করা এবং জমির নকশা তৈরির জন্য গত ২৭ এপ্রিল ঢাকা জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেন মনিরুল ইসলাম। তবে আবেদন করার পর প্রায় ছয় মাস ধরে লালবাগ রাজস্ব সার্কেলে একাধিকবার যোগাযোগ করেও কাজ সম্পন্ন করতে পারেননি তিনি।

📌 এক নজরে মূল বিষয়:
  • •ওই জমির সীমানা নির্ধারণ, সরকারি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির সীমানা পৃথক করা এবং জমির নকশা তৈরির জন্য গত ২৭ এপ্রিল ঢাকা জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেন মনিরুল ইসলাম।
  • •তবে আবেদন করার পর প্রায় ছয় মাস ধরে লালবাগ রাজস্ব সার্কেলে একাধিকবার যোগাযোগ করেও কাজ সম্পন্ন করতে পারেননি তিনি।
  • •একপর্যায়ে তাঁকে ওই কার্যালয়ের সার্ভেয়ার মোহাম্মদ আসাদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়।

একপর্যায়ে তাঁকে ওই কার্যালয়ের সার্ভেয়ার মোহাম্মদ আসাদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়। দুদকের অভিযোগ, জমির সীমানা নির্ধারণ ও নামজারি করে দেওয়ার বিনিময়ে মনিরুলের কাছে ৮০ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন আসাদুল ইসলাম। পরে বিষয়টি দুদককে জানিয়ে ঘুষ দাবির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে হাতেনাতে ধরতে ফাঁদ অভিযানের অনুরোধ করেন তিনি।

অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা যাচাইয়ের পর মঙ্গলবার সকালে দুদকের ঢাকা-১ জেলা কার্যালয়ের একটি বিশেষ দল ফাঁদ অভিযান চালায়। অভিযানের একপর্যায়ে এক লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের সময় আসাদুল ইসলামকে হাতেনাতে আটক করা হয়। দুদক জানিয়েছে, এ ঘটনায় আসাদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঢাকা-১ জেলা কার্যালয়ে মামলা দায়ের এবং তাঁকে আদালতে সোপর্দ করার আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

[সম্পাদকীয় নোট: বাংলা লাইভ নিউজ বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন পরিবেশন করে। যেকোনো নতুন তথ্য প্রাপ্তিসাপেক্ষে প্রতিবেদনটি নিয়মিত হালনাগাদ হতে পারে।]