বাংলা লাইভ নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সংগীতশিল্পী কনিকা কাপুর বলিউডের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কনিকা কাপুর ও তার স্বামী গৌতম হাথিরামানির চার বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটতে চলেছে। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে এক আবেগঘন বার্তার মাধ্যমে নিজেই এই বিচ্ছেদের খবরটি নিশ্চিত করেছেন গায়িকা।

📌 এক নজরে মূল বিষয়:
  • •ভারতীয় সংগীতশিল্পী কনিকা কাপুর বলিউডের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কনিকা কাপুর ও তার স্বামী গৌতম হাথিরামানির চার বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটতে চলেছে।
  • •সম্প্রতি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে এক আবেগঘন বার্তার মাধ্যমে নিজেই এই বিচ্ছেদের খবরটি নিশ্চিত করেছেন গায়িকা।
  • •ইনস্টাগ্রামে কনিকা লিখেছেন, ‘প্রিয় বন্ধু এবং পরিবার, অনেক চিন্তা-ভাবনার পর আমার স্বামী ও আমি আলাদা হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

ইনস্টাগ্রামে কনিকা লিখেছেন, ‘প্রিয় বন্ধু এবং পরিবার, অনেক চিন্তা-ভাবনার পর আমার স্বামী ও আমি আলাদা হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই কঠিন সময়ে আমরা যেন নিজেদের গোপনীয়তা বজায় রাখতে পারি এবং একটু সহানুভূতি ও সম্মান পাই, সেই অনুরোধই করছি।

’ বন্ধুত্ব থেকে প্রেম, তারপর বিয়ে গৌতম হাথিরামানির সঙ্গে কনিকার পরিচয় প্রায় ১৫ বছরের। সম্পর্কে জড়ানোর আগে দীর্ঘদিনের ভালো বন্ধু ছিলেন তারা।

কনিকা এর আগে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, তিনি নিজেই গৌতমকে দুবার বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন—প্রথমে ২০১৪ সালে এবং দ্বিতীয়বার ২০২০ সালে। অবশেষে ২০২১ সালের আগস্টে গৌতম তাকে প্রপোজ করেন এবং ২০২২ সালের ২০ মে লন্ডনে একটি জাঁকজমকপূর্ণ ঘরোয়া অনুষ্ঠানে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

‘বেবি ডল’ খ্যাত কনিকার সংগীত জীবন ২০১৪ সালে সানি লিওনের ‘রাগিনি এমএমএস ২’ ছবির ‘বেবি ডল’ গানটির মাধ্যমে দারুণ খ্যাতি অর্জন করেন কনিকা কাপুর। মিত ব্রোস-এর সুরে গানটি সুপারহিট হওয়ার পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে।

একই বছর শাহরুখ খান ও দীপিকা পাড়ুকোনের ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’ ছবিতে ‘লাভলি’ গান গেয়েও তুমুল জনপ্রিয়তা পান তিনি। এরপর মিত ব্রোস এবং ডা. জিউসের সঙ্গে মিলে ‘রয়’ ছবির ‘চিটিয়া কালাইয়া’, ‘এক পহেলি লীলা’ ছবির ‘দেশি লুক’, ‘অল ইজ ওয়েল’ ছবির ‘নাচান ফার্রাতে’ এবং ‘উড়তা পাঞ্জাব’ ছবির ‘দা দা দাসে’র মতো একের পর এক জনপ্রিয় গান উপহার দিয়ে বলিউডে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন এই গুণী শিল্পী।

[সম্পাদকীয় নোট: বাংলা লাইভ নিউজ বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন পরিবেশন করে। যেকোনো নতুন তথ্য প্রাপ্তিসাপেক্ষে প্রতিবেদনটি নিয়মিত হালনাগাদ হতে পারে।]