বাংলা লাইভ নিউজ ডেস্ক: জাকির শেখ বলেন, তাঁর সমিতিতে দুই শতাধিক ব্যবসায়ী সদস্য রয়েছেন। গত মৌসুমে তাঁদের অধিকাংশই লোকসানে পড়েছেন।

দস্যুদের চাঁদা দিতে হয়েছে, আবার বৈরী আবহাওয়ার কারণে জেলেরা অনেক সময় সাগরে মাছ ধরতে পারেননি। এতে ব্যবসায় বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। আগের ঋণই শোধ করা সম্ভব হয়নি। তারপরও বাধ্য হয়ে নতুন করে ঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরু করতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, এবারও লোকসান হলে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন হয়ে পড়বে। একই পরিস্থিতিতে রয়েছেন শুঁটকি ব্যবসায়ী মোয়াজ্জেম শেখ। গত মৌসুমে দস্যুদের আড়াই লাখ টাকা চাঁদা দিতে হয়েছে বলে জানান তিনি। লোকসান হয়েছে প্রায় ১০ লাখ টাকা।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা চলছে এবং সর্বশেষ পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হচ্ছে। বিস্তারিত তথ্য পাওয়া মাত্রই বাংলা লাইভ নিউজে আপডেট প্রকাশ করা হবে।

তথ্যসূত্র: সংবাদ সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।