বাংলা লাইভ নিউজ ডেস্ক: এটিএম সামসুজ্জোহা, ঠাকুরগাঁও শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে জামায়াতে ইসলামীর ব্যানারে বের হওয়া সেই বিক্ষোভ মিছিল গত শুক্রবার যে হাত দিয়ে বিজয়ী বিএনপি প্রার্থীর মুখে মিষ্টি তুলে দিয়েছিলেন, ঠিক তার ২৪ ঘণ্টা পার না হতেই সেই হাতেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ব্যানার তুলে নিলেন জামায়াতে ইসলামীর পরাজিত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন। ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটের ময়দানে একদিন আগে যে ‘সৌহার্দ ও সৌজন্যের ফুলঝুরি’ ফুটেছিল, একদিন বাদেই তা রূপ নিল তুমুল বিক্ষোভে।

📌 এক নজরে মূল বিষয়:
  • •ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটের ময়দানে একদিন আগে যে ‘সৌহার্দ ও সৌজন্যের ফুলঝুরি’ ফুটেছিল, একদিন বাদেই তা রূপ নিল তুমুল বিক্ষোভে।
  • •বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন ২ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন।
  • •তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দেলাওয়ার হোসেন পান ৯৬ হাজার ৫১৩ ভোট।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে জামায়াতে ইসলামীর ব্যানারে বের হওয়া সেই বিক্ষোভ মিছিল আর সংক্ষিপ্ত সমাবেশ থেকে নির্বাচন কমিশনকে ‘অথর্ব’ আখ্যা দিয়ে পদত্যাগের দাবি নিশ্চিত করেছেন দেলাওয়ার হোসেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন ২ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দেলাওয়ার হোসেন পান ৯৬ হাজার ৫১৩ ভোট।

নির্বাচনে পরাজয়ের পরদিন শুক্রবার দুপুরে বিজয়ী প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন ফুলের তোড়া হাতে সোজা চলে যান দেলাওয়ার হোসেনের হাজীপাড়ার বাসায়। দেলাওয়ার তখন বিজয়ী প্রার্থীকে অভিনন্দন জানিয়ে দলমতের ঊর্ধ্বে ওঠার আহ্বানও তুলে ধরেন। কিন্তু সেই মধুর দৃশ্যের রেশ কাটতে না কাটতেই শনিবার সন্ধ্যায় পাল্টে যায় দৃশ্যপট। দলবল নিয়ে রাজপথে নেমে পড়েন দেলাওয়ার হোসেন। শনিবারের বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেলাওয়ার হোসেন অভিযোগ করেন, ২৯ অক্টোবরের উপনির্বাচনে ব্যাপক ভোট কারচুপি, জালভোট ও ভোট ডাকাতি সম্পন্ন হয়েছে। শুধু তাই নয়, ভোটকেন্দ্রে ও পরবর্তী সময়ে তার কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা, বাড়িঘর ভাঙচুর এবং এক নারী কর্মীকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগও তোলেন তিনি। ক্ষমতা বদলের পরও নির্বাচনি ব্যবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি মন্তব্য করে জামায়াতের এই নেতা উল্লেখ করেন, ৫ আগস্টের পর একটি সুষ্ঠু পরিবেশের আশা করা হলেও এই নির্বাচন প্রমাণ করেছে—দলীয় সরকারের অধীনে কখনো নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়।

[সম্পাদকীয় নোট: বাংলা লাইভ নিউজ বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন পরিবেশন করে। যেকোনো নতুন তথ্য প্রাপ্তিসাপেক্ষে প্রতিবেদনটি নিয়মিত হালনাগাদ হতে পারে।]