বাংলা লাইভ নিউজ ডেস্ক: ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরানোর রাজনৈতিক লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সম্পন্ন হয়েছে বিরোধী শিবিরের। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জন্য এটি বড় ধরনের রাজনৈতিক ধাক্কা।

📌 এক নজরে মূল বিষয়:
  • •ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরানোর রাজনৈতিক লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সম্পন্ন হয়েছে বিরোধী শিবিরের।
  • •ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জন্য এটি বড় ধরনের রাজনৈতিক ধাক্কা।
  • •তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোটকে নতুন সরকার গঠনের দায়িত্ব দিতে যাচ্ছে দেশটির প্রেসিডেন্ট।

তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোটকে নতুন সরকার গঠনের দায়িত্ব দিতে যাচ্ছে দেশটির প্রেসিডেন্ট। এর ফলে ইসরাইলের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা নেতানিয়াহুকে সরিয়ে দেওয়ার সম্ভাবনা আরও এক ধাপ এগিয়েছে।

তবে নতুন সরকার গঠনের পথ এখনো বেশ কঠিন। গত ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে মধ্যপন্থী ইয়াশার পার্টির নেতৃত্ব দেওয়া আইজেনকোটকে নতুন সরকার গঠনের জন্য সর্বোচ্চ ছয় সপ্তাহ সময় দেওয়া হচ্ছে।

নতুন নেসেটের ৬৭ জন সদস্য তার পক্ষে সরকার গঠনের সুপারিশ করেছেন। বিপরীতে নেতানিয়াহুর পক্ষে রয়েছেন ৪৬ জন। কিন্তু এই সমর্থন এখনো কোনো স্থায়ী সংসদীয় জোটে রূপ নেয়নি।

ফলে সরকার গঠনের দায়িত্ব পেলেও আইজেনকোটের সামনে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ইসরাইলের নেসেটে মোট আসন ১২০টি।

সরকার গঠনের জন্য সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন হলেও আইজেনকোটের প্রস্তাবিত জোটের চারটি দলের আসনসংখ্যা মাত্র ৪৮। অর্থাৎ, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১ আসনের তুলনায় তাদের আসন কম।

এই ঘাটতি পূরণে আরব দলগুলোর সমর্থনের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে তাকে। নতুন নেসেটের ৬৭ সদস্য আইজেনকোটের পক্ষে সুপারিশ করেছেন, যাদের মধ্যে আরব দলগুলোর ১৯ জন সদস্যও রয়েছেন।

এসব দলের বাইরে থেকে সমর্থন নিয়ে একটি সংখ্যালঘু সরকার গঠন করতে চান তিনি। কিন্তু আরব দলগুলোর সমর্থন পেলেই যে সরকার দীর্ঘস্থায়ী হবে, তার নিশ্চয়তা নেই।

কারণ, এসব দলের সঙ্গে সহযোগিতার প্রশ্নে বিরোধী জোটের মধ্যেই মতপার্থক্য রয়েছে। ফলে সংসদে প্রয়োজনীয় সমর্থন নিশ্চিত করাই আইজেনকোটের প্রথম বড় পরীক্ষা।

আরব দলগুলোর সমর্থন নিয়ে বিরোধী শিবিরে মতবিরোধ আইজেনকোটের পরিকল্পনার অন্যতম বড় বাধা আরব দলগুলোর সমর্থন নিয়ে বিরোধী নেতাদের আপত্তি। বিশেষ করে আভিগদর লিবারম্যান এ ধরনের সমর্থননির্ভর সরকার গঠনে রাজি নন।

ইসরাইলের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী লিবারম্যানের আশঙ্কা, আরব দলগুলোর সমর্থনে গঠিত সংখ্যালঘু সরকার বেশিদিন টিকবে না। বরং এমন সরকার শেষ পর্যন্ত নেতানিয়াহুকেই রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী করার সুযোগ করে দিতে পারে।

[সম্পাদকীয় নোট: বাংলা লাইভ নিউজ বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন পরিবেশন করে। যেকোনো নতুন তথ্য প্রাপ্তিসাপেক্ষে প্রতিবেদনটি নিয়মিত হালনাগাদ হতে পারে।]