বাংলা লাইভ নিউজ ডেস্ক: অভিনেত্রী ভাগ্যশ্রীর বিশেষ রেসিপি। সুস্থ থাকতে প্রতিদিনের খাবারে বৈচিত্র্য রাখা জরুরি।

📌 এক নজরে মূল বিষয়:
  • •অভিনেত্রী ভাগ্যশ্রীর বিশেষ রেসিপি।
  • •সুস্থ থাকতে প্রতিদিনের খাবারে বৈচিত্র্য রাখা জরুরি।
  • •তেমনই একটি খাবার হলো কুমড়োর রায়তা।

তেমনই একটি খাবার হলো কুমড়োর রায়তা। অভিনেত্রী ভাগ্যশ্রী নিজের খাদ্যতালিকায় রেখেছেন এই পদ। কুমড়োর রায়তার কথা শুনে অনেকেরই হয়তো খেতে ইচ্ছা নাও হতে পারে।

তবে সঠিক উপায়ে তৈরি করলে রুটির সঙ্গে বেশ উপভোগ করেই খাওয়া যায় এটি। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুমড়োর রায়তা তৈরির একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন ভাগ্যশ্রী।

সেখানে তিনি তুলে ধরেন, এই পদের প্রতিটি উপকরণ হজমে সহায়তা করে, পেট ঠান্ডা রাখে এবং অন্ত্রের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে। অভিনেত্রী নিজে জোয়ারের রুটির সঙ্গে এই রায়তা খেতে পছন্দ করেন।

রায়তা তৈরির জন্য লাগবে ১ কাপ টকদই, ২টি কাঁচামরিচ কুচি, ১টি ছোট পেঁয়াজ কুচি, আধা চা-চামচ রসুনবাটা, ১ কাপ সেদ্ধ ও টুকরো করা কুমড়া, সামান্য ধনেপাতা কুচি এবং স্বাদমতো লবণ। ফোড়নের জন্য প্রয়োজন পরিমাণমতো সরিষার তেল, ৫-৬টি কারিপাতা, এক চিমটি হিং, ১ চা-চামচ কসুরি মেথি ও ১ চা-চামচ কাশ্মীরি মরিচের গুঁড়া।

প্রথমে একটি বড় পাত্রে টকদই, পেঁয়াজ কুচি, কাঁচামরিচ, রসুনবাটা, সেদ্ধ কুমড়া ও ধনেপাতা একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এরপর স্বাদ অনুযায়ী লবণ দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে নিন।

কুমড়োর রায়তায় ব্যবহৃত উপকরণগুলোর রয়েছে বিভিন্ন পুষ্টিগুণ। টকদইয়ে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়া অন্ত্রের স্বাভাবিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

এসব উপাদান হজমের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। যাঁদের মাঝেমধ্যে অম্বল বা পেটের অস্বস্তি হয়, তাদের খাদ্যতালিকায় কুমড়া রাখা যেতে পারে।

এ ছাড়া পেঁয়াজে রয়েছে কোয়ারসেটিন নামের একটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা শরীরের প্রদাহ কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। কারিপাতাও হজমে সহায়ক হিসেবে পরিচিত।

সব মিলিয়ে পরিচিত কিছু উপকরণ দিয়ে সহজেই তৈরি করা যায় মুখরোচক এই পদ। নিয়মিত খাবারে বৈচিত্র্য আনতে চাইলে কুমড়োর রায়তা হতে পারে ভিন্নধর্মী একটি সংযোজন।

[সম্পাদকীয় নোট: বাংলা লাইভ নিউজ বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন পরিবেশন করে। যেকোনো নতুন তথ্য প্রাপ্তিসাপেক্ষে প্রতিবেদনটি নিয়মিত হালনাগাদ হতে পারে।]