বাংলা লাইভ নিউজ ডেস্ক: রাজাপুর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মো. রফিকুল ইসলাম মৃধা উল্লেখ করেন, তুরাগ দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। বিভিন্ন সময়ে দলীয় মিছিল-মিটিংয়েও তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন।

📌 এক নজরে মূল বিষয়:
  • •রাজাপুর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মো. রফিকুল ইসলাম মৃধা উল্লেখ করেন, তুরাগ দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
  • •বিভিন্ন সময়ে দলীয় মিছিল-মিটিংয়েও তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন।
  • •বর্তমানে তিনি ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন।

বর্তমানে তিনি ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন। আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তাঁর নাম আসা কোনোভাবেই কাম্য নয়। হয়তো নামের ভুল কিংবা ভুল বোঝাবুঝির কারণে এমনটি হতে পারে।

ঝালকাঠি জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সৈয়দ আলী হাসান উল্লেখ করেন, ‘তুরাগ রাজাপুর উপজেলা ছাত্রদলের একজন সক্রিয় কর্মী। তাঁর বাবাও বিএনপির একজন নেতা। অথচ তুরাগকে ছাত্রলীগের কর্মী আখ্যা দিয়ে মামলার আসামি করা সম্পন্ন হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকেও (ওসি) কঠোরভাবে প্রশ্ন করেছি। তিনি বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। ’ ঝালকাঠি জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মো. শাহাদাৎ হোসেন উল্লেখ করেন, তুরাগ যদি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকেন, তাহলে ২০২৬ সালে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত করা মোটেও কাম্য নয়। স্থানীয় নেতাকর্মীরা বিষয়টি নিশ্চিত করলে এ বিষয়ে প্রশাসনের কাছে জবাবদিহি চাইব। এ বিষয়ে রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস উল্লেখ করেন, ‘এই মামলায় ছাত্রদলের কারও নাম থাকার কথা নয়। তারপরও যদি থেকে থাকে, তাহলে তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ’ ঝালকাঠি জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সৈয়দ আলী হাসান উল্লেখ করেন, ‘তুরাগ রাজাপুর উপজেলা ছাত্রদলের একজন সক্রিয় কর্মী। ’ এ বিষয়ে রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস উল্লেখ করেন, ‘এই মামলায় ছাত্রদলের কারও নাম থাকার কথা নয়।

[সম্পাদকীয় নোট: বাংলা লাইভ নিউজ বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন পরিবেশন করে। যেকোনো নতুন তথ্য প্রাপ্তিসাপেক্ষে প্রতিবেদনটি নিয়মিত হালনাগাদ হতে পারে।]