বাংলা লাইভ নিউজ ডেস্ক: স্বামীর অর্থ আত্মসাতের মামলায় কারাগারে স্ত্রী। রাজবাড়ীতে স্বামীর দায়ের করা অর্থ আত্মসাতের মামলায় মোছা. তানিয়া খাতুন (২২) নামে এক নার্সকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
- •স্বামীর অর্থ আত্মসাতের মামলায় কারাগারে স্ত্রী।
- •রাজবাড়ীতে স্বামীর দায়ের করা অর্থ আত্মসাতের মামলায় মোছা. তানিয়া খাতুন (২২) নামে এক নার্সকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
- •সোমবার (২ নভেম্বর) রাজবাড়ী সদর আমলী আদালতের বিচারক অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হায়দার আলী তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
সোমবার (২ নভেম্বর) রাজবাড়ী সদর আমলী আদালতের বিচারক অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হায়দার আলী তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী শেখ মো. মেহেদী হাসান সন্ধ্যায় বাংলা লাইভ নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তানিয়া রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার খালকুলা গ্রামের মোহন মল্লিকের মেয়ে ও একটি বেসরকারি হাসপাতালের কর্মরত নার্স।
মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, রাজবাড়ী সদর উপজেলার বিনোদপুর গ্রামের মো. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে বালিয়াকান্দি উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের খালকুলা গ্রামের মোহন মল্লিকের মেয়ে মোছা. তানিয়া খাতুনের পারিবারিক সম্মতিতে বিয়ে হয়। বিয়ের সময় সাখাওয়াত হোসেনের পরিবারের পক্ষ থেকে তানিয়াকে স্বর্ণালংকার ও বিভিন্ন উপহারসামগ্রী দেওয়া হয়। এর আগে মো. সাখাওয়াত হোসেন বাদী হয়ে তানিয়ার বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে বালিয়াকান্দি আমলী আদালতে মামলা করেন। ওই মামলায় বিচারক তাকে কারাগারে পাঠান। পরে ১৬ দিন পর তিনি জামিনে বের হন। মামলার বাদী মো. সাখাওয়াত হোসেন উল্লেখ করেন, পারিবারিক ও সামাজিকভাবে সুন্দর একটি সংসারের স্বপ্ন দেখেছিলাম। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে নানা অশান্তি ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে সম্পন্ন হয়েছে। বাধ্য হয়েই আইনের আশ্রয় নিয়েছি। বাদীপক্ষের আইনজীবী শেখ মেহেদী হাসান উল্লেখ করেন, আদালতের তদন্তের পর আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। পরে আসামি আদালতে হাজির হয়ে আপসের শর্তে জামিন নেন। এরপর বাদী ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের মাধ্যমে একাধিকবার আপস-মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। লিগ্যাল এইডের মাধ্যমেও বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে আসামি বাদীর সঙ্গে সংসার করতে রাজি না হওয়ায় এবং মীমাংসা কার্যকর না হওয়ায় আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে মামলার অভিযোগের বিষয়ে আসামিপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
পাঠকের মতামত 0
শালীন ও গঠনমূলক মন্তব্য কাম্যআপনার মন্তব্য লিখুন
আপনার ইমেইল ঠিকানাটি গোপন রাখা হবে। তারকা চিহ্নিত (*) ঘরগুলো পূরণ করা বাধ্যতামূলক।