বাংলা লাইভ নিউজ ডেস্ক: ‘জাতির পিতা’ সম্বোধনে হট্টগোল জয়পুরহাটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভার ব্যানারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকা এবং এক বক্তার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট হট্টগোলের ঘটনায় জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. আল মামুন মিয়াকে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের দাবি জানিয়েছে জেলা ছাত্রদল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি আদায় না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।

📌 এক নজরে মূল বিষয়:
  • •নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি আদায় না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।
  • •এর আগে শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ ঘটনা ঘটে।
  • •পরে জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ব্যানারে জিয়াউর রহমানের ছবি-সংবলিত একটি পোস্টার সাঁটানোর পর প্রতিমন্ত্রী মঞ্চে ওঠেন এবং নির্ধারিত সময়ের আধা ঘণ্টা পর অনুষ্ঠান শুরু হয়।

এর আগে শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা তুলে ধরেন, নির্ধারিত সময়ের আগে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালেও মূল ব্যানারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা এবং প্রতিমন্ত্রীও মঞ্চে উঠতে অস্বীকৃতি তুলে ধরেন।

পরে জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ব্যানারে জিয়াউর রহমানের ছবি-সংবলিত একটি পোস্টার সাঁটানোর পর প্রতিমন্ত্রী মঞ্চে ওঠেন এবং নির্ধারিত সময়ের আধা ঘণ্টা পর অনুষ্ঠান শুরু হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে জেলা প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা তুলে ধরেন, ব্যানারটি জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়া নিজেই নির্ধারণ করেছিলেন।

পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার পর অনুষ্ঠান শেষ হলেও এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ নিশ্চিত করেছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ ওহাব। তিনি প্রশাসনে ঘাপটি মেরে থাকা ফ্যাসিবাদের দোসরদের চিহ্নিত করে সতর্ক হওয়ার আহ্বান তুলে ধরেন।

এ ঘটনায় প্রতিমন্ত্রী পুরো বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা প্রধান উল্লেখ করেন, ১৯ বছর পর তারা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করছেন।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ঘিরে আয়োজিত অনুষ্ঠানের ব্যানারেই তার ছবি ছিল না। এ ঘটনায় দলের নেতাকর্মীদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ সম্পন্ন হয়েছে।

এটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক ঘটনা। ইন্টারনেট থেকে ছবি নিয়ে ব্যানার তৈরি করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়া। তিনি অনুষ্ঠানে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও জেলা পরিষদের প্রশাসককে খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়ে প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী উল্লেখ করেন, ঘটনাটি ইচ্ছাকৃত হয়ে থাকলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

[সম্পাদকীয় নোট: বাংলা লাইভ নিউজ বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন পরিবেশন করে। যেকোনো নতুন তথ্য প্রাপ্তিসাপেক্ষে প্রতিবেদনটি নিয়মিত হালনাগাদ হতে পারে।]