বাংলা লাইভ নিউজ ডেস্ক: শিক্ষার্থীর চুল কেটে দিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। নওগাঁর বদলগাছীতে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির অন্তত ১৫ শিক্ষার্থীর মাথার চুল কাঁচি দিয়ে খোপ খোপ করে কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

📌 এক নজরে মূল বিষয়:
  • •শিক্ষার্থীর চুল কেটে দিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
  • •এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন অভিভাবকরা।
  • •তাদের অভিযোগ, এর আগেও ওই শিক্ষক শিক্ষার্থীদের মারধরসহ নানা ধরনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেছেন।

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন অভিভাবকরা। তাদের অভিযোগ, এর আগেও ওই শিক্ষক শিক্ষার্থীদের মারধরসহ নানা ধরনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেছেন।

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন অভিভাবকরা।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার কোলা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির অন্তত ১৫ শিক্ষার্থীর মাথার চুল কাঁচি দিয়ে অসমভাবে কেটে দেন প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম।

এতে শিক্ষার্থীদের চুলের স্বাভাবিক আকৃতি নষ্ট হয়ে যায়। অভিভাবকদের অভিযোগ, এর আগেও ওই শিক্ষক শিক্ষার্থীদের মারধর করেছেন। এমনকি এক শিক্ষার্থীর ভ্রুর চুলও কেটে দেওয়ার ঘটনা সংঘটিত সম্পন্ন হয়েছে।

তবে কী কারণে শিশুদের সঙ্গে এমন আচরণ করা সম্পন্ন হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা। মিলন নামের এক অভিভাবক উল্লেখ করেন, আমি বাড়িতে ছিলাম না।

পরে বাড়িতে এসে দেখি, আমার ছেলের মাথার চুল খোপ খোপ করে কেটে দেওয়া সম্পন্ন হয়েছে। অথচ তার মাথায় স্বাভাবিক চুল ছিল। এ নিয়ে আজ বিদ্যালয়ে ঝামেলা সম্পন্ন হয়েছে।

অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা না নিয়ে কেন এভাবে চুল কেটে দেওয়া হলো—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি উল্লেখ করেন, তাদের দেখতে খারাপ লাগছিল। এ জন্য কপালের ওপরের চুল কেটে দিয়েছি।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইদুর রহমান উল্লেখ করেন, ঘটনাটি শুনেছি। কী কারণে শিক্ষার্থীদের মাথার চুল এভাবে কেটে দেওয়া সম্পন্ন হয়েছে, তা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল আমিন তদন্ত করছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহান ছনি উল্লেখ করেন, ঘটনাটি আমি শুনেছি। ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া সম্পন্ন হয়েছে।

[সম্পাদকীয় নোট: বাংলা লাইভ নিউজ বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন পরিবেশন করে। যেকোনো নতুন তথ্য প্রাপ্তিসাপেক্ষে প্রতিবেদনটি নিয়মিত হালনাগাদ হতে পারে।]