বাংলা লাইভ নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্কের শেকড় প্রোথিত রয়েছে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও গভীর আস্থার ওপর। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের পর, প্রথম দিকের উন্নত দেশগুলোর অন্যতম হিসেবে ১৯৭২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি জাপান বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে।

এই ঐতিহাসিক যাত্রার ধারাবাহিকতায়, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ ও ১৯৮০ সালে জাপান সফর করেছিলেন, যা দুই দেশের সম্পর্কের সুদৃঢ় অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ভিত্তি স্থাপন করেছিল। পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৪ ও ২০০৫ সালে দেশটির সাথে সম্পর্কের পরিধি আরও বিস্তৃত করেন। ২০২৩ সালে দুই দেশের সম্পর্ককে ‘কৌশলগত অংশীদারত্ব’ (Strategic Partnership)-এর স্তরে উন্নীত করা হয় এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্বাক্ষরিত দ্বিপাক্ষিক ‘অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি’ (EPA) এই সম্পর্ককে এক নতুন আইনি ও বাণিজ্যিক প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফর মূলত সেই ঐতিহাসিক পরম্পরাকে ধারণ করে ‘নতুন বাংলাদেশের’ জন্য এক আধুনিক ও কৌশলগত রূপরেখা বিনির্মাণ করছে।

ভূ-অর্থনৈতিক সমীকরণ: ‘সাহায্য নির্ভরতা’ থেকে ‘কৌশলগত অংশীদারত্ব’ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের নব্য-বাস্তববাদী (Neo-realist) তত্ত্ব অনুযায়ী, যেকোনো বৈদেশিক সম্পর্কের মূলে থাকে অর্থনৈতিক ও জাতীয় সমৃদ্ধির বিবেচনা। বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এই ভূ-অর্থনৈতিক গতিশীলতা গভীরভাবে দৃশ্যমান। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সাম্প্রতিক বক্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, যেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন, “সহায়তা বা এইড-ডিপেন্ডেন্সির যুগ শেষ হয়ে গেছে। এখন আর সাহায্য-নির্ভর অর্থনীতি চায় না, বরং বিভিন্ন দেশের সাথে সমতা ও অংশীদারত্বের ওপর জোর দিচ্ছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা চলছে এবং সর্বশেষ পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হচ্ছে। বিস্তারিত তথ্য পাওয়া মাত্রই বাংলা লাইভ নিউজে আপডেট প্রকাশ করা হবে।

তথ্যসূত্র: সংবাদ সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।