বাংলা লাইভ নিউজ ডেস্ক: শ্রমিক বিক্ষোভের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে সাভারের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু স্পষ্ট ব্যক্ত করেছেন, পতিত সরকারের দোসররা সাভার ও আশুলিয়ায় গার্মেন্টস অস্থিতিশীল করে আন্দোলন করার চেষ্টা করছে। বহিরাগতরা শ্রমিকদের কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করছে।
- •বহিরাগতরা শ্রমিকদের কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করছে।
- •শ্রমিকদের সড়ক অবরোধে মহাসড়কে তীব্র যানজট পরিদর্শনে এসে আরিচা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে তিনি এসব কথা উল্লেখ করেন।
- •একই সঙ্গে সাভার শিল্প পুলিশ থেকে অভিযোগ করা হয়, শ্রমিকদের কারখানা বন্ধ করে মহাসড়কে চলে আসতে বাধ্য করছে বহিরাগতরা।
শ্রমিকদের সড়ক অবরোধে মহাসড়কে তীব্র যানজট পরিদর্শনে এসে আরিচা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে তিনি এসব কথা উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে সাভার শিল্প পুলিশ থেকে অভিযোগ করা হয়, শ্রমিকদের কারখানা বন্ধ করে মহাসড়কে চলে আসতে বাধ্য করছে বহিরাগতরা। শান্তিপ্রিয় শ্রমিকরাও কারখানা ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।
মজুরি বাড়ানোর মূল দাবিকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে সাভার ও আশুলিয়ার তৈরি পোশাক শিল্প এলাকা। শ্রমিক বিক্ষোভে শতাধিক কারখানার শ্রমিকরা রাস্তায় নেমেছেন। দুই শতাধিক কারখানায় আজও ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এদিন কাভার্ডভ্যানে আগুন দিয়েছে দুষ্কৃতকারীরা। সোমবার সকালে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় ধাওয়া-পালটাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা সংঘটিত সম্পন্ন হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর এবং সাভারের হেমায়েতপুরে। এতে অন্তত দুই শতাধিক শ্রমিক আহত হয়েছেন। শিল্প পুলিশের কয়েকজন সদস্যও আহতের খবর জানা গেছে। শিল্প পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া উল্লেখ করেন, শ্রমিকদের দাবি পূরণে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। বিভিন্ন কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হলেও শ্রমিকরা বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুরের চেষ্টা চালিয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে জানিয়ে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মুস্তাফিজুর রহমান উল্লেখ করেন, আজকে সাভারের পরিবেশ অনেকটাই শান্ত রয়েছে। কিছুটা বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া গেলেও পুলিশ তৎপর থাকার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন, সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলমসহ পুলিশের কর্মকর্তারা এখানে উপস্থিত থেকে সব ব্যবস্থা গ্রহণ করে চলেছেন। বিকালে সাভারের বিভিন্ন কারখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডিআইজি মুস্তাফিজুর রহমান আরও উল্লেখ করেন, শিল্পাঞ্চল সাভার ও আশুলিয়ায় শ্রমিক আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলাকারীরা কেউ সাধারণ শ্রমিক নয়। তাই নাশকতাকারীদের কঠোর আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, শ্রমিকদের আন্দোলনের সুযোগে কিছু দুষ্কৃতকারী বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। আমরা তাদের খোঁজখবর নিচ্ছি, তথ্য সংগ্রহ করছি। আন্দোলনের নামে বহিরাগত বিশৃঙ্খলাকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে। এ সময় শ্রমিকদেরও সজাগ হওয়ার আহ্বান তুলে ধরেন ডিআইজি।
পাঠকের মতামত 0
শালীন ও গঠনমূলক মন্তব্য কাম্যআপনার মন্তব্য লিখুন
আপনার ইমেইল ঠিকানাটি গোপন রাখা হবে। তারকা চিহ্নিত (*) ঘরগুলো পূরণ করা বাধ্যতামূলক।