বাংলা লাইভ নিউজ ডেস্ক: চরাঞ্চলে জমি নিয়ে সংঘাত হলে তরমুজ চাষ বন্ধের হুঁশিয়ারি নুরের পটুয়াখালীর গলাচিপা ও দশমিনার চরাঞ্চলে তরমুজ চাষের জমি ইজারা নিয়ে কোনো ধরনের বিরোধ, দখলদারি বা সংঘাত বরদাশত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনের সংসদ সদস্য ও প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। প্রয়োজনে চরাঞ্চলে তরমুজ চাষ বন্ধ রেখে সেখানে লাল নিশান টাঙানোর কথাও স্পষ্ট ব্যক্ত করেছেন তিনি।
- •প্রয়োজনে চরাঞ্চলে তরমুজ চাষ বন্ধ রেখে সেখানে লাল নিশান টাঙানোর কথাও স্পষ্ট ব্যক্ত করেছেন তিনি।
- •রোববার (৮ নভেম্বর) গলাচিপা উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা উল্লেখ করেন।
- •নুরুল হক নুর উল্লেখ করেন, গলাচিপা, দশমিনা ও ভোলার বিভিন্ন চরে প্রতিবছর মৌসুমভিত্তিক জমি ইজারা নিয়ে তরমুজের আবাদ করা হয়।
রোববার (৮ নভেম্বর) গলাচিপা উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা উল্লেখ করেন। নুরুল হক নুর উল্লেখ করেন, গলাচিপা, দশমিনা ও ভোলার বিভিন্ন চরে প্রতিবছর মৌসুমভিত্তিক জমি ইজারা নিয়ে তরমুজের আবাদ করা হয়।
তবে নানা কারণে এবার এখনও এসব জমি ইজারা দেওয়া হয়নি। চর নিয়ে কোনো পক্ষ যেন মারামারি, দখলদারি কিংবা সংঘর্ষে জড়িয়ে না পড়ে, সে বিষয়ে রাজনৈতিক নেতাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।
কোনোভাবেই মানুষের মধ্যে সংঘাত সৃষ্টি হতে দেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে তরমুজ চাষ বন্ধ থাকুক, তবু চরের জমি নিয়ে হানাহানি কাম্য নয়।
চর দখল ও জাল কাগজপত্র তৈরির অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, অতীতে যারা চর দখল করে ভোগদখল করেছেন এবং ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করেছেন, তাদের কেউ কেউ এখনও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে ভিডিও তৈরি করছেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান তুলে ধরেন তিনি।
আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম নিয়েও কথা উল্লেখ করেন নুরুল হক নুর। তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী আদর্শের রাজনীতি করতে গিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের নানা ত্যাগ স্বীকার করতে সম্পন্ন হয়েছে।
বিশেষ করে গত ১৭ বছরে অনেক নেতাকর্মী বাড়িতে থাকতে পারেননি, মিথ্যা মামলার শিকার সম্পন্ন হয়েছেন এবং দলীয় কার্যালয় পর্যন্ত খুলতে পারেননি। তিনি দাবি করেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের পর গলাচিপা-দশমিনায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিএনপির তুলনায় তেমন কোনো হামলা, মামলা বা হয়রানির মুখোমুখি হননি।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, অতীতে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর যে ধরনের নির্যাতন সম্পন্ন হয়েছে, তার পুনরাবৃত্তি তারা চান না। সবাইকে এলাকায় স্বাভাবিকভাবে বসবাসের সুযোগ দেওয়ার পক্ষেই তারা।
তবে যারা অতীতে বাড়াবাড়ি ও অন্যায় করেছেন, তাদের নিজেদের কর্মকাণ্ডের পরিণতি ভোগ করতে হবে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে শেখ হাসিনার অনলাইন যোগাযোগের প্রসঙ্গ টেনে নুর উল্লেখ করেন, তাদের উদারতার সুযোগ নিয়ে সম্প্রতি ভার্চ্যুয়াল যোগাযোগের কিছু ঘটনা সামনে এসেছে।
বিভিন্ন স্থানে কারা বক্তব্য দিয়েছেন, তাদের তালিকা ও অডিও প্রকাশিত সম্পন্ন হয়েছে। এসব বিষয়ে প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম বর্তমানে নিষিদ্ধ। তাই প্রচলিত আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের কার্যক্রমে কেউ জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
পাশাপাশি রাজনৈতিকভাবেও এসব কর্মকাণ্ড মোকাবিলার আহ্বান তুলে ধরেন তিনি।
পাঠকের মতামত 0
শালীন ও গঠনমূলক মন্তব্য কাম্যআপনার মন্তব্য লিখুন
আপনার ইমেইল ঠিকানাটি গোপন রাখা হবে। তারকা চিহ্নিত (*) ঘরগুলো পূরণ করা বাধ্যতামূলক।