বাংলা লাইভ নিউজ ডেস্ক: স্থানীয়দের ভাষ্য, সেতুর এক পাশে সংযোগ সড়ক থেকে এর উচ্চতা প্রায় চার ফুট এবং অন্য পাশে প্রায় আট ফুট। ফলে সেতুটি কোনোভাবেই স্বাভাবিক চলাচলের উপযোগী নয়।

📌 এক নজরে মূল বিষয়:
  • •স্থানীয়দের ভাষ্য, সেতুর এক পাশে সংযোগ সড়ক থেকে এর উচ্চতা প্রায় চার ফুট এবং অন্য পাশে প্রায় আট ফুট।
  • •ফলে সেতুটি কোনোভাবেই স্বাভাবিক চলাচলের উপযোগী নয়।
  • •সংযোগ সড়ক না থাকায় দুই উপজেলার প্রায় ২০ গ্রামের মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।

সংযোগ সড়ক না থাকায় দুই উপজেলার প্রায় ২০ গ্রামের মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। এ অবস্থায় এলাকাবাসী নিজেদের উদ্যোগে সেতুর পাশে কাঠ ও বাঁশ দিয়ে একটি অস্থায়ী সেতু নির্মাণ করেছেন। কয়েক মাস পরপর এটি মেরামত করতে হয়।

নড়বড়ে এই সেতু দিয়েই প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন পথচারীরা। এ ছাড়া এই সড়কে চলাচলকারী যানবাহনগুলো সেতুর কাছে এসে যাত্রীদের নামিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে।

এতে চালকদের আয় কমে গেছে। সেতুর কাছে এসে গাড়ি ঘোরানোর সময় অনেক যানবাহন খাদে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে বলেও নিশ্চিত করেছেন স্থানীয়রা।

ভুক্তভোগী এলাকাবাসী তুলে ধরেন, সেতু নির্মাণের প্রায় দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির কারণে সংযোগ সড়কের কাজ শেষ হচ্ছে না। এ দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে সরকার ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা।

কায়েমপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. কামাল উদ্দিন উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে কসবা ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মধ্যে যোগাযোগের এই সড়কে মানুষ ও যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। নবনির্মিত সেতুর সংযোগ সড়ক তৈরি না করায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি সম্পন্ন হয়েছে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কেন কাজটি ঝুলিয়ে রেখেছে, তা বোধগম্য নয়। সমস্যা সমাধানে তিনিও উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

উপজেলা প্রকৌশলী মাজহারুল হক আকন্দ উল্লেখ করেন, সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়কের মাটি ভরাটের বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে একাধিকবার তাগাদা দেওয়া সম্পন্ন হয়েছে। মাটি কাটার জন্য ভেকু মেশিন পাচ্ছে না—এমন অজুহাতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কিছুটা সময়ক্ষেপণ করছে।

বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও তুলে ধরেনো সম্পন্ন হয়েছে। দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করার দাবি নিশ্চিত করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী ও সচেতন মহল।

[সম্পাদকীয় নোট: বাংলা লাইভ নিউজ বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন পরিবেশন করে। যেকোনো নতুন তথ্য প্রাপ্তিসাপেক্ষে প্রতিবেদনটি নিয়মিত হালনাগাদ হতে পারে।]