বাংলা লাইভ নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তোলপাড়: আর্মেনিয়ার পার্লামেন্টে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে মারামারি-কে ঘিরে সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আর্মেনিয়ার জাতীয় সংসদে ক্ষমতাসীন দল ‘সিভিল কন্ট্রাক্ট’ ও বিরোধীদল ‘স্ট্রং আর্মেনিয়া’র এমপিদের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা সংঘটিত সম্পন্ন হয়েছে। আর্মেনিয়ার অনলাইন সংবাদ সংস্থা নিউজ.এএম প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংসদে ক্ষমতাসীন দলের আইনপ্রণেতা তারন চাকোইয়ানের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে প্রথমে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় শুরু হয়।
ঘটনার বিশদ বিবরণ ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য
পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে তা শারীরিক সংঘর্ষে রূপ নেয়। ‘সব নারীকে সন্তুষ্ট করতে একটি মন্ত্রণালয়’ গঠনের অদ্ভুতোড়ে প্রস্তাব নিয়ে বিতর্ক চলাকালে আর্মেনিয়ার পার্লামেন্টে এমপিদের মধ্যে হাতাহাতি ও তীব্র মারামারির ঘটনা সংঘটিত সম্পন্ন হয়েছে। ২৯ অক্টোবর বিতর্কের একপর্যায়ে সরকারি দলের এক এমপি বিরোধীদলীয় নেতা নারেক কারাপেতিয়ানের পরিবারকে নিয়ে কটু মন্তব্য ও উপহাস শুরু করেন।
আন্তর্জাতিক মহলে কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া
এর পরই তা বাগ্বিতণ্ডা থেকে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এ সময় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ভাহাগন আলেক্সানিয়ান বিরোধী দলের আইনপ্রণেতাদের দিকে একটি চেয়ার ছুড়ে মারেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা সম্পন্ন হয়েছে। সংসদের অধিবেশনকক্ষে শৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্বে থাকা স্পিকার রুবেন রুবিনিয়ান শুরুতে কয়েক মিনিট ধরে সংঘর্ষ চলতে দেখেন। পরে তিনি অধিবেশনে বিরতি ঘোষণা করেন এবং নিরাপত্তাকর্মীদের ডেকে পাঠান। তবে অধিবেশনকক্ষে সংঘর্ষ থামলেও উত্তেজনা শেষ হয়নি। সংসদ ভবনের করিডোরেও দুই পক্ষের সদস্যদের মধ্যে তর্কবিতর্ক চলতে থাকে। এ সময় তাঁদের মধ্যে গালাগালির শব্দও শোনা যায়।
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই কূটনৈতিক ও বৈশ্বিক ঘটনাপ্রবাহ আঞ্চলিক রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা পরিস্থিতি সতর্কতার সাথে পর্যবেক্ষণ করছে।
বাংলা লাইভ নিউজ সার্বিক পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে এবং যেকোনো নতুন তথ্যের সাথে সাথে তাৎক্ষণিক আপডেট প্রকাশ করা হবে।
তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট সরকারি/প্রাতিষ্ঠানিক বিবৃতি ও বিশেষ প্রতিনিধি দল।
পাঠকের মতামত 0
শালীন ও গঠনমূলক মন্তব্য কাম্যআপনার মন্তব্য লিখুন
আপনার ইমেইল ঠিকানাটি গোপন রাখা হবে। তারকা চিহ্নিত (*) ঘরগুলো পূরণ করা বাধ্যতামূলক।