বাংলা লাইভ নিউজ ডেস্ক: অভিনেত্রী মাফতুহা জান্নাত। শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় শুরু করেছিলেন মাফতুহা জান্নাত।

📌 এক নজরে মূল বিষয়:
  • •অভিনেত্রী মাফতুহা জান্নাত।
  • •শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় শুরু করেছিলেন মাফতুহা জান্নাত।
  • •এরপর মাঝখানে পড়াশোনার জন্য বিরতি।

এরপর মাঝখানে পড়াশোনার জন্য বিরতি। শেষে আবার নতুন করে শুরু দর্শকদের কাছে জিম নামে পরিচিতি পাওয়া এ অভিনেত্রীর। সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় অনম বিশ্বাস পরিচালিত ‘দেবী’ সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগ পান মাফতুহা জান্নাত।

সিনেমাটিতে রানুর (জয়া আহসান) ছোটবেলার স্মৃতিচারণার অংশে তাঁকে দেখা গিয়েছিল। তবে শৈশবের সেই অভিনয় নিয়মিত হয়নি। পড়াশোনার জন্য দীর্ঘদিনের বিরতি।

২০২৩ সালে আবার নতুন করে ফেরা। বাবু সিদ্দিকীর পরিচালনায় ‘সিক্রেট গার্লফ্রেন্ড’ ছিল মাফতুহা জান্নাতের প্রথম নাটক। সে প্রসঙ্গে জিম উল্লেখ করেন, ‘ফেসবুকের মাধ্যমে বাবু সিদ্দিকী ভাইয়ের সঙ্গে পরিচয়।

আমার অভিনয়ের আগ্রহের কথা জেনে তিনি সুযোগ দিয়েছিলেন। ’ এরপর মাবরুর রশিদ বান্নাহর ‘যত্ন’। এ প্রসঙ্গে মাফতুহা জান্নাত উল্লেখ করেন, ‘যত্ন’ নাটকটি আমার টার্নিং পয়েন্ট ছিল।

এ নাটকের ইরা চরিত্র দর্শকেরা বেশ পছন্দ করেছিলেন। এখনো দর্শক দূর থেকে ইরা নাম ধরে ডাকেন। আরশ খান ভাইয়ের সঙ্গে আমাকে দর্শক খুব পছন্দ করেন।

এই কাজ দর্শক পছন্দ করায় সকাল আহমেদ ভাই নির্মাণ করেন ‘দোষটা কার। ’ এ নাটকেও দর্শক আমাদের জুটি পছন্দ করেন। এ নাটকে চেনা ছকের বাইরে গিয়ে আমাকে চরিত্রের জটিল মনস্তত্ত্ব ফুটিয়ে তুলতে হয়েছিল, যা অভিনেত্রী হিসেবে আমাকে নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে উসকে দিয়েছিল।

এটা আমার আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল। তাঁর কাছেও প্রতিটি কাজের অভিজ্ঞতা আলাদা মনে সম্পন্ন হয়েছে। জিম উল্লেখ করেন, ‘দর্শক এখন একঘেয়ে গল্প দেখতে চান না।

তিনটি নাটকের গল্প একটির চেয়ে অন্যটি সম্পূর্ণ আলাদা। রোমান্স, ড্রামা থেকে সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার—বিভিন্ন ধরনের গল্পে দর্শক নতুনত্ব পেয়েছেন।

প্রতিটি চরিত্রে চেষ্টা করেছি, সাধারণ মানুষ যেন নিজের জীবনের সঙ্গে চরিত্রগুলো মেলাতে পারেন। ’ জিম উল্লেখ করেন, অনেক নির্মাতা ও প্রযোজক নতুন অভিনেতা-অভিনেত্রীদের নিয়ে ঝুঁকি নিতে চান না।

ফলে শুরুতে একই ধরনের চরিত্রের প্রস্তাব বেশি আসে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘শুরুতে আমাকেও এ ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে সম্পন্ন হয়েছে।

তাদের সুযোগ দেওয়া দরকার। ’ অভিনেত্রী উল্লেখ করেন, ‘অভিনয়ে শুধু সংলাপ বললেই হয় না। চোখের ইশারা কিংবা শরীরের ছোট্ট কোনো অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমেও অনুভূতি প্রকাশ করা যায়।

কীভাবে অতিরঞ্জন না করে একটি চরিত্রের আবেগ ফুটিয়ে তুলতে হয়, নাট্যকলার পড়াশোনা আমাকে তা শিখিয়েছে। স্ক্রিপ্ট পড়ার পর এর ভেতরের মূল ভাবনা বুঝতেও সুবিধা হয়।

পরিচালকের চাওয়া অনুযায়ী অভিনয় করতে এটি অনেক সাহায্য করে।

[সম্পাদকীয় নোট: বাংলা লাইভ নিউজ বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন পরিবেশন করে। যেকোনো নতুন তথ্য প্রাপ্তিসাপেক্ষে প্রতিবেদনটি নিয়মিত হালনাগাদ হতে পারে।]