বাংলা লাইভ নিউজ ডেস্ক: ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী শেষ পর্যন্ত কে হবেন, তা নিশ্চিত হয়নি। সংগৃহীত ছবি নির্বাচন শেষ হলেও ইসরাইলে সরকার গঠন নিয়ে কাটেনি অনিশ্চয়তা।

📌 এক নজরে মূল বিষয়:
  • •ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী শেষ পর্যন্ত কে হবেন, তা নিশ্চিত হয়নি।
  • •সংগৃহীত ছবি নির্বাচন শেষ হলেও ইসরাইলে সরকার গঠন নিয়ে কাটেনি অনিশ্চয়তা।
  • •গত মঙ্গলবারের নির্বাচনে কোনো পক্ষই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি।

গত মঙ্গলবারের নির্বাচনে কোনো পক্ষই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। ফলে আবারও প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় দেখা দিয়েছেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। মূলত আরব দলগুলোর সমর্থন নিয়ে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি সম্পন্ন হয়েছে দেশটিতে।

নির্বাচনে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন। তার বিরোধী ইহুদিবাদী জোট পেয়েছে ৪৮টি আসন। ইসরাইলের পার্লামেন্ট নেসেটে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ৬১টি আসন। বিরোধী জোটের অধিকাংশ নেতা আরব দলগুলোর সঙ্গে সরকার গঠনে আপত্তি নিশ্চিত করেছেন। ফলে কোনো পক্ষের পক্ষেই এখন পর্যন্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত হয়নি। তবে বিরোধী জোটের অধিকাংশ নেতা আরব দলগুলোর সঙ্গে সরকার গঠনে আপত্তি নিশ্চিত করেছেন। ফলে কোনো পক্ষের পক্ষেই এখন পর্যন্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। এতেই শুরু সম্পন্ন হয়েছে দেশটির নেতৃত্ব নির্ধারণে অচলবস্থা। এর মাঝেই ইসরাইলের নির্বাচনে আরব দলগুলো কারচুপির মাধ্যমে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন দখলদার দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। এ অভিযোগের পক্ষে ভোট কেনাবেচা ও বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপের দুটি ঘটনা সামনে এনেছে তার দল লিকুদ পার্টি। টাইমস অব ইসরাইল জানিয়েছে, এ ঘটনা দুটির মধ্যে কোনো যোগসূত্রের প্রমাণ এখনো প্রকাশ করেনি ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ। বরং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, ঘটনা দুটি পরস্পর সম্পর্কহীন। প্রথম ঘটনায় আরব দল রা’আমের কর্মীদের বিরুদ্ধে ভোট কেনার পরিকল্পনার অভিযোগ উঠেছে। দ্বিতীয় ঘটনায় কাতারসহ বিদেশি শক্তির অর্থ ব্যয়ের মাধ্যমে আরব ইসরাইলিদের ভোটে প্রভাব বিস্তারের সন্দেহ করা হচ্ছে। নির্বাচনের স্বচ্ছতা রক্ষার দায়িত্বে থাকা পুলিশ ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেতের ভূমিকা নিয়েও এসব ঘটনায় প্রশ্ন তৈরি সম্পন্ন হয়েছে। গত মঙ্গলবার নির্বাচনের দিন ভোটগ্রহণ শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে দক্ষিণ ইসরাইলের তিন বেদুইন অধিবাসীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারা আরব নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক দল রা’আমের কর্মী। পুলিশের দাবি, ভোট কেনাবেচার ষড়যন্ত্রে তাদের সম্পৃক্ততা ছিল। ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২ ও ওয়াইনেটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর চিফ অব স্টাফ ইদো নর্ডেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ফোন করার পর গ্রেফতারের ঘটনা ঘটে। আদালতে পুলিশ স্বীকার করেছে, পরোয়ানা ছাড়াই অভিযুক্তদের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। তল্লাশিতে কয়েক হাজার শেকেল নগদ অর্থ পাওয়া যায়। তবে অভিযুক্তদের দাবি, অর্থগুলো দাতব্য কাজের জন্য রাখা হয়েছিল।

[সম্পাদকীয় নোট: বাংলা লাইভ নিউজ বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন পরিবেশন করে। যেকোনো নতুন তথ্য প্রাপ্তিসাপেক্ষে প্রতিবেদনটি নিয়মিত হালনাগাদ হতে পারে।]