বাংলা লাইভ নিউজ ডেস্ক: দেশের সার্বভৌমত্ব দাবিয়ে রাখতে অতীতের মতো ষড়যন্ত্র চলছে: প্রধানমন্ত্রী একাত্তর, ৭ নভেম্বর ও ২৪-এর মতো দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী সব ষড়যন্ত্রের বিষদাঁত ভেঙে দিতে দেশবাসীর প্রতি ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান নিশ্চিত করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট ব্যক্ত করেছেন, ‘অতীতের মতো আবারও চক্রান্ত শুরু সম্পন্ন হয়েছে, একটি মহল দেশের সার্বভৌমত্বকে দাবিয়ে রাখতে চায়।
- •তিনি স্পষ্ট ব্যক্ত করেছেন, ‘অতীতের মতো আবারও চক্রান্ত শুরু সম্পন্ন হয়েছে, একটি মহল দেশের সার্বভৌমত্বকে দাবিয়ে রাখতে চায়।
- •এসময় উপস্থিত জনতা তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা তুলে ধরেন।
- •হাত নেড়ে তিনি আপামর জনসাধারণের অভিবাদনের জবাব দেন এবং পরে জনতার উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন।
’ শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত র্যালি-পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা উল্লেখ করেন। বিকেল পৌনে ৩টায় নয়াপল্টনে লাখো জনতার উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পৌঁছান ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক নায়ক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সন্তান তারেক রহমান।
এসময় উপস্থিত জনতা তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা তুলে ধরেন। হাত নেড়ে তিনি আপামর জনসাধারণের অভিবাদনের জবাব দেন এবং পরে জনতার উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন।
বক্তব্যে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘একাত্তরে অর্জিত সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করে দেশের মানুষের ওপর বাকশাল চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে ৭ নভেম্বর সেই গোষ্ঠীকে সিপাহি-জনতা পরাজিত করেছিল।
’ তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান সময়েও সেই অপশক্তি দেশের অর্জনকে নস্যাৎ করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে। তাই স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জাতিকে আবারও ইস্পাতকঠিন ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।
নয়াপল্টন থেকে ৭ কিলোমিটার হেঁটে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে প্রধানমন্ত্রীআধিপত্যবাদী শক্তির হাত থেকে জিয়াউর রহমান দেশকে রক্ষা করেছিলেন: হুইপ দুলু পরে তারেক রহমানের নেতৃত্বে নয়াপল্টন থেকে বর্ণাঢ্য ‘সার্বভৌমত্ব’ র্যালি শুরু হয়। খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে এতে অংশ নেন বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী।
দলটির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের পাশাপাশি বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা পায়ে হেঁটে এ শোভাযাত্রায় অংশ নেন। বিপ্লব ও সংহতি দিবসের এ র্যালি ও সমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজধানীজুড়ে নেওয়া হয়েছিল কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
নয়াপল্টন ও আশপাশের এলাকায় পুলিশ, সেনাবাহিনী, প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর), গোয়েন্দা সংস্থা ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের মোতায়েন করা হয়। ডগ স্কোয়াড দিয়ে তল্লাশি চালানো হয় সমাবেশের মঞ্চ ও আশপাশের এলাকা।
এ ছাড়া সড়কে ব্যারিকেড বসিয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়। নির্ধারিত রুট অনুযায়ী, নয়াপল্টন থেকে শুরু হওয়া র্যালিটি প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে দিয়ে কাকরাইল মোড়, হেয়ার রোড, মিন্টো রোড, ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনে, বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে গিয়ে শেষ হয়।
পাঠকের মতামত 0
শালীন ও গঠনমূলক মন্তব্য কাম্যআপনার মন্তব্য লিখুন
আপনার ইমেইল ঠিকানাটি গোপন রাখা হবে। তারকা চিহ্নিত (*) ঘরগুলো পূরণ করা বাধ্যতামূলক।