বাংলা লাইভ নিউজ ডেস্ক: ২০ বছর আগে চুরি যাওয়া ১৭ শতকের একটি দুর্লভ চিত্রকর্ম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সহায়তায় উদ্ধার করেছে ইতালির পুলিশ। দেশটির পারমা শহরের একটি প্রাচীন সামগ্রীর মেলায় চিত্রকর্মটি শনাক্ত করতে সক্ষম হয় এআই প্রযুক্তি।
- •২০ বছর আগে চুরি যাওয়া ১৭ শতকের একটি দুর্লভ চিত্রকর্ম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সহায়তায় উদ্ধার করেছে ইতালির পুলিশ।
- •দেশটির পারমা শহরের একটি প্রাচীন সামগ্রীর মেলায় চিত্রকর্মটি শনাক্ত করতে সক্ষম হয় এআই প্রযুক্তি।
- •বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরেনো সম্পন্ন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরেনো সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৪ সালের ১১ আগস্ট নেপলসের কাছের একটি গির্জা থেকে চিত্রকর্মটি চুরি হয়।
এতে সেন্ট অ্যাগনেসের ছবি আঁকা ছিল। তবে চোরেরা ছবির অবয়ব পরিবর্তন করে তাকে সাধারণ এক তরুণীর মতো দেখানোর চেষ্টা করেছিল। ২০২৪ সালের অক্টোবরে ইতালির পারমা শহরে আয়োজিত বার্ষিক প্রাচীন সামগ্রীর মেলায় চিত্রকর্মটি শনাক্ত করা হয়।
ওই মেলায় পুলিশ কর্মকর্তারা বিভিন্ন শিল্পকর্মের ছবি তুলে নিজেদের তথ্যভাণ্ডারে সংরক্ষণ করছিলেন। এ সময় কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এআই প্রযুক্তি সন্দেহজনক একটি চিত্রকর্ম শনাক্ত করে।
পরে চিত্রকর্মটির রং, নকশা ও ছবির কাঠামোর সঙ্গে মূল শিল্পকর্মের তুলনা করে এর পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। চুরি যাওয়া শিল্পকর্ম শনাক্ত করতে ২০২০ সালে এআইভিত্তিক একটি প্রযুক্তি তৈরি শুরু করে ইতালির পুলিশ।
‘স্টোলেন ওয়ার্কস অব আর্ট ডিটেকশন সিস্টেম’ নামের এই প্রযুক্তি ২০২৩ সালের নভেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়। সিস্টেমটি ইন্টারনেট, অনলাইন নিলাম প্রতিষ্ঠান ও বাণিজ্যিক ওয়েবসাইটে পাওয়া বিভিন্ন শিল্পকর্মের ছবির সঙ্গে চুরি হওয়া শিল্পকর্মের তথ্যভাণ্ডারে থাকা ছবির তুলনা করে।
এর মাধ্যমে সন্দেহজনক শিল্পকর্ম শনাক্ত করা সম্ভব হয়। কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রযুক্তির সহায়তায় এখন পর্যন্ত ৩০০টির বেশি গুরুত্বপূর্ণ চিত্রকর্ম ও ভাস্কর্য উদ্ধার করা সম্পন্ন হয়েছে।
পাশাপাশি উদ্ধার সম্পন্ন হয়েছে আরও ১ লাখ ৬৫ হাজারের বেশি প্রাচীন সামগ্রী। উদ্ধার করা এসব সামগ্রীর মোট মূল্য ২০ কোটি ৩০ লাখ ইউরোর বেশি।
শনাক্তকরণ ও তদন্তের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ২০২৫ সালের ২০ মে চিত্রকর্মটি সংশ্লিষ্ট গির্জার কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এখন চিত্রকর্মটি সংস্কার করা হবে।
এরপর সেটি আবারও গির্জার আগের নির্ধারিত স্থানে প্রদর্শনের জন্য রাখা হবে।
পাঠকের মতামত 0
শালীন ও গঠনমূলক মন্তব্য কাম্যআপনার মন্তব্য লিখুন
আপনার ইমেইল ঠিকানাটি গোপন রাখা হবে। তারকা চিহ্নিত (*) ঘরগুলো পূরণ করা বাধ্যতামূলক।