বাংলা লাইভ নিউজ ডেস্ক: শেষ কিছুদিনে একটা বিষয় পানির মতো পরিষ্কার—যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা, গোয়েন্দা তথ্য ও গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল ইউক্রেন। তবে সেটা কতটা, একের পর এক ইউক্রেনের খারাপ খবর প্রমাণ করে দেয়।

আরেকটা প্রশ্নও সামনে দাড় করিয়ে দেয়—যুক্তরাষ্ট্র সরে গেলে মহাশক্তিশালী রাশিয়ার সামনে কতদিন টিকে থাকবে এই ইউক্রেন। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গে কিয়েভের সম্পর্কের অবনতি ঘটছে। একই সঙ্গে সামরিক সহায়তা ও ইন্টারনেট নিয়ে অনিশ্চয়তায় দেশটির যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে। রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে আলোচনায় ব্যর্থতার জন্য ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে দোষারোপ করেছেন ট্রাম্প।

আবার গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সহায়তা আটকে রাখার অভিযোগ তুলেছে কিয়েভ। এদিকে রাশিয়ার হামলা অব্যাহত থাকায় যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন কমে যাওয়ার প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে ইউক্রেনে। ২০২৫ সালের শুরুতে ক্ষমতায় ফিরে ইউক্রেনের জন্য নতুন সহায়তা প্যাকেজ বন্ধ করে দেয় ট্রাম্প প্রশাসন। এরপর ইউরোপীয় দেশগুলো সহায়তার বড় অংশের দায়িত্ব নেয়।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা চলছে এবং সর্বশেষ পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হচ্ছে। বিস্তারিত তথ্য পাওয়া মাত্রই বাংলা লাইভ নিউজে আপডেট প্রকাশ করা হবে।

তথ্যসূত্র: সংবাদ সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।