বাংলা লাইভ নিউজ ডেস্ক: যাদের রক্ত ও ডিএনএতে বাকশাল রয়েছে, তারা কখনও শোধরাবে না মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি স্পষ্ট ব্যক্ত করেছেন, ছাত্র-জনতার মহিমান্বিত আত্মদানের মধ্য দিয়ে যে স্বৈরাচারের পতন হয়েছে, সেই পরাজিত ও পলাতক শক্তি আর কখনও এই দেশের মাটিতে ফিরে আসার সুযোগ পাবে না।

📌 এক নজরে মূল বিষয়:
  • •যাদের রক্ত ও ডিএনএতে বাকশাল রয়েছে, তারা কখনও শোধরাবে না মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
  • •তিনি স্পষ্ট ব্যক্ত করেছেন, ছাত্র-জনতার মহিমান্বিত আত্মদানের মধ্য দিয়ে যে স্বৈরাচারের পতন হয়েছে, সেই পরাজিত ও পলাতক শক্তি আর কখনও এই দেশের মাটিতে ফিরে আসার সুযোগ পাবে না।
  • •শনিবার (৮ নভেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসি অডিটরিয়ামে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা উল্লেখ করেন।

শনিবার (৮ নভেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসি অডিটরিয়ামে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা উল্লেখ করেন। রুহুল কবির রিজভী উল্লেখ করেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিবাদী আক্রমণে ৭ নভেম্বর সরকারিভাবে পালন করতে দেওয়া হয়নি।

কিন্তু সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে বিভিন্ন সংগঠন এটি পালন করেছে, ফলে এই দিবসের অন্তর্নিহিত চেতনা ও তাৎপর্য কখনও মুছে যায়নি। ৭ নভেম্বর কেবল বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথ উন্মুক্ত করেনি, বরং এটি বাংলাদেশকে বিদেশি প্রভাবমুক্ত নিজস্ব পররাষ্ট্র ও অভ্যন্তরীণ নীতি প্রণয়নের শক্তি জুগিয়েছিল।

তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতির স্মৃতিচারণ করে তিনি উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার পর তৎকালীন সরকার বাকশাল কায়েম করে মানুষের কথা বলার অধিকার ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছিল। সরকারের বিরুদ্ধে কথা বললেই অদৃশ্য হয়ে যেতে হতো কিংবা রক্ষীবাহিনীর হাতে প্রাণ দিতে হতো।

৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক সিপাহী-জনতার বিপ্লব দেশকে সেই ভয় ও আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি থেকে মুক্ত করেছিল। বিএনপি জনগণের সঙ্গে কারসাজি করে ক্ষমতায় বসেছে: মাসুদপ্রথম ধাপের ভোটগ্রহণে প্রাধান্য পাচ্ছে যেসব ইউনিয়ন পরিষদ সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলা ও জিয়াউর রহমানের অবদান তুলে ধরে রিজভী উল্লেখ করেন, তৎকালীন সময়ে কর্নেল তাহেরসহ বিভিন্ন গোষ্ঠী সেনাবাহিনীকে পলিটিক্যালাইজ বা রাজনীতিকরণ করে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহারের অপচেষ্টা করেছিল।

কিন্তু শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একটি আধুনিক, চৌকস ও পেশাদার সেনাবাহিনী গড়ে তুলতে কাজ করেছেন। তিনি কোনো কাউন্টার ফোর্স তৈরি না করে একটি শক্তিশালী সার্বভৌম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছিলেন।

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও জুলাই বিপ্লবের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপি নেতা রিজভী উল্লেখ করেন, যাদের রক্ত ও ডিএনএতে বাকশাল রয়েছে, তারা কখনও শোধরাবে না। তারা মনে করছে উড়ে এসে জুড়ে বসবে আর জনগণ অভ্যর্থনা জানাবে।

আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওয়াসিম আকরাম ও ফাইনাজদের বুক চিতিয়ে দেওয়া রক্ত আর মহাকাব্যিক আত্মদান কখনও বৃথা যেতে পারে না। বীরের এই মাটিতে পলাতক ও ভীত সিংহ-শৃগালের মতো পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের স্থান আর হবে না।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে সব বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে দেশ আজ সঠিক পথে এগিয়ে যাচ্ছে। ৭ নভেম্বরের দিকদর্শন ভবিষ্যতেও দেশকে যে কোনো সংকট থেকে মুক্ত রেখে সঠিক রাজনৈতিক ধারা উপহার দেবে।

[সম্পাদকীয় নোট: বাংলা লাইভ নিউজ বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন পরিবেশন করে। যেকোনো নতুন তথ্য প্রাপ্তিসাপেক্ষে প্রতিবেদনটি নিয়মিত হালনাগাদ হতে পারে।]