বাংলা লাইভ নিউজ ডেস্ক: ভারতের উত্তর প্রদেশের এক সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে নতুন ইতিহাস গড়েছেন সাবা হায়দার। ২০০৭ সালে বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে পাড়ি জমিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে।

📌 এক নজরে মূল বিষয়:
  • •ভারতের উত্তর প্রদেশের এক সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে নতুন ইতিহাস গড়েছেন সাবা হায়দার।
  • •২০০৭ সালে বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে পাড়ি জমিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে।
  • •শুরুতে জীবন গড়েছেন শিকাগোতে, কাজ করেছেন যোগব্যায়ামের প্রশিক্ষক হিসেবে।

শুরুতে জীবন গড়েছেন শিকাগোতে, কাজ করেছেন যোগব্যায়ামের প্রশিক্ষক হিসেবে। সেখান থেকে ধীরে ধীরে যুক্ত সম্পন্ন হয়েছেন সামাজিক কর্মকাণ্ডে, এরপর স্থানীয় রাজনীতি।

একবার নির্বাচনে হেরে গেলেও দমে যাননি। অবশেষে ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ইলিনয়ের ৮৪তম হাউস ডিস্ট্রিক্ট থেকে বিপুল ভোটে জয়ী সম্পন্ন হয়েছেন তিনি।

৩০ ভারতীয় বংশোদ্ভূতের জয়ের তালিকায় সাবা গত মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে অন্তত ৩০ জন ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রার্থী জয় পেয়েছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম সাবা হায়দার।

ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের ৮৪তম হাউস ডিস্ট্রিক্ট থেকে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে বড় ব্যবধানে জয় পান তিনি। নির্বাচনে সাবা পেয়েছেন ২০ হাজার ৭৫৬ ভোট, যা মোট ভোটের ৭০ দশমিক ৯ শতাংশ।

তার প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রার্থী ব্রায়ান স্কোপা পেয়েছেন ৮ হাজার ৫২০ ভোট। এই জয়ের মধ্য দিয়ে ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের আইনসভায় নির্বাচিত প্রথম দক্ষিণ এশীয় নারী হওয়ার ইতিহাস গড়েছেন সাবা।

তার আদি বাড়ি ভারতের উত্তর প্রদেশে। মেয়ের এমন সাফল্যে উচ্ছ্বসিত বাবা সৈয়দ আলী হায়দার উল্লেখ করেন, ‘এটি শুধু আমাদের পরিবারের জয় নয়, বরং পুরো দেশের জন্য গর্বের মুহূর্ত।

’ কিন্তু কে এই সাবা হায়দার। কীভাবে ভারতের একটি শহর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছালেন তিনি। চলুন জেনে নেওয়া যাক তার জীবনের গল্প।

বুলন্দশহর থেকে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় ৪২ বছর বয়সি সাবা হায়দার ভারতীয় বংশোদ্ভূত একজন ডেমোক্রেটিক রাজনীতিক। তার পরিবারের শিকড় উত্তর প্রদেশের বুলন্দশহর জেলার আওরঙ্গাবাদ শহরে।

তার বাবা সৈয়দ আলী হায়দার একজন অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী। তাদের পৈতৃক বাড়ি গাজিয়াবাদে। মেয়ের নির্বাচনী জয়ের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সেখানে আত্মীয়স্বজন ও পরিবারের সদস্যরা আনন্দ-উৎসবে মেতে ওঠেন।

[সম্পাদকীয় নোট: বাংলা লাইভ নিউজ বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন পরিবেশন করে। যেকোনো নতুন তথ্য প্রাপ্তিসাপেক্ষে প্রতিবেদনটি নিয়মিত হালনাগাদ হতে পারে।]