বাংলা লাইভ নিউজ ডেস্ক: নোবিপ্রবির বিরুদ্ধে জমি দখলের পাঁয়তারার অভিযোগে মানববন্ধন সুপ্রিম কোর্টে মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় জমি দখলের পাঁয়তারা ও উচ্ছেদের উদ্যোগের প্রতিবাদে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী। রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুরে নোয়াখালী সদর উপজেলার নোয়াখালী ইউনিয়নের ৯৩ নম্বর চর সল্লা এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

📌 এক নজরে মূল বিষয়:
  • •রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুরে নোয়াখালী সদর উপজেলার নোয়াখালী ইউনিয়নের ৯৩ নম্বর চর সল্লা এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
  • •মানববন্ধনে ভুক্তভোগী জিয়াউর রহমান শিমুল, আনোয়ারুল হক সেলিম, নুরুল আলম, ফাতেমা বেগম ও বিবি হাজেরাসহ অন্যরা বক্তব্য দেন।
  • •মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, তাদের পৈতৃক ও খতিয়ানভুক্ত মালিকানাধীন ভোগদখলীয় জমি অধিগ্রহণের পর জোরপূর্বক উচ্ছেদের চেষ্টা করছে নোবিপ্রবি কর্তৃপক্ষ।

মানববন্ধনে ভুক্তভোগী জিয়াউর রহমান শিমুল, আনোয়ারুল হক সেলিম, নুরুল আলম, ফাতেমা বেগম ও বিবি হাজেরাসহ অন্যরা বক্তব্য দেন। মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, তাদের পৈতৃক ও খতিয়ানভুক্ত মালিকানাধীন ভোগদখলীয় জমি অধিগ্রহণের পর জোরপূর্বক উচ্ছেদের চেষ্টা করছে নোবিপ্রবি কর্তৃপক্ষ।

এ জমি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় দখলের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জমির বর্তমান অবস্থা বজায় রাখার দাবি তুলে ধরেন তারা।

বক্তারা আরও তুলে ধরেন, জমি নিয়ে তারা জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করলে জেলা প্রশাসন উভয় পক্ষকে নোটিশ দিয়ে শুনানি করে। শুনানি শেষে জেলা প্রশাসক সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষকে যে যার অবস্থানে থাকার নির্দেশনা দেন বলে দাবি তাদের।

সিলেটে হামের আরও ১ শিশুর মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১২১ ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তাদের কোনো ধরনের নোটিশ না দিয়ে কিংবা যোগাযোগ না করেই গত শনিবার থেকে জমি থেকে উচ্ছেদের জন্য মাইকিং করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। উচ্ছেদ করা হলে তাদের আশ্রয় নেওয়ার মতো বিকল্প কোনো জায়গা নেই বলেও তুলে ধরেন তারা।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জমি অধিগ্রহণে তাদের কোনো আপত্তি নেই বলে তুলে ধরেন ভুক্তভোগীরা। তাদের দাবি, বর্তমান বাজারমূল্য অনুযায়ী জমির ন্যায্য ক্ষতিপূরণ পরিশোধ এবং পুনর্বাসনের জন্য প্রয়োজনীয় সময় দিতে হবে।

যাতে তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে নিরাপদে অন্যত্র বসবাসের ব্যবস্থা করতে পারেন। এ বিষয়ে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী সাংবাদিকদের উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০০ একর জমির মধ্যে ১ একর ৩৩ শতাংশ জমির দখল নিয়ে জটিলতা রয়েছে।

সর্বশেষ ২০১৭ সালে গেজেট প্রকাশ এবং ২০২১ সালে রিট পিটিশন খারিজ হওয়ার পর জমিটি নিয়ে আইনগত কোনো বাধা নেই।

[সম্পাদকীয় নোট: বাংলা লাইভ নিউজ বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন পরিবেশন করে। যেকোনো নতুন তথ্য প্রাপ্তিসাপেক্ষে প্রতিবেদনটি নিয়মিত হালনাগাদ হতে পারে।]