বাংলা লাইভ নিউজ ডেস্ক: নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনে কোনো ধরনের বৈষম্য ও অন্যায়ের চর্চা করা যাবে না। পুলিশের পোশাক ও দায়িত্বকে সাধারণ চাকরি হিসেবে না দেখে জনগণের নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার অঙ্গীকার হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।
সাইবার অপরাধ, অনলাইন জালিয়াতি, আর্থিক প্রতারণা, মাদক, মানব পাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ মোকাবিলায় আধুনিক প্রযুক্তি, বৈজ্ঞানিক তদন্ত, তথ্য বিশ্লেষণ ও ডিজিটাল ফরেনসিক ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে দুর্ব্যবহার ও পক্ষপাতিত্বের পরিবর্তে পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও মানবিকতার চর্চা করতে হবে। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নিরপরাধ মানুষের অধিকারও সুরক্ষিত রাখতে হবে। নবীন কর্মকর্তাদের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনসহ পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিটে কাজের সুযোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দায়িত্বে অবহেলা, অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তির বিধানও কার্যকর থাকবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপাল মো. মাইনুল হাসান বিপিএম, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে থাকা মো. রেজাউল আলম সরকার, রাজশাহী রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. আশিক সাঈদ, স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা। কুচকাওয়াজে মন্ত্রী প্যারেড পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন। পরে বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। এএসপি প্রবেশনার মো. মাহবুব হোসেন প্যারেড কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা চলছে এবং সর্বশেষ পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হচ্ছে। বিস্তারিত তথ্য পাওয়া মাত্রই বাংলা লাইভ নিউজে আপডেট প্রকাশ করা হবে।
তথ্যসূত্র: সংবাদ সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
পাঠকের মতামত 0
শালীন ও গঠনমূলক মন্তব্য কাম্যআপনার মন্তব্য লিখুন
আপনার ইমেইল ঠিকানাটি গোপন রাখা হবে। তারকা চিহ্নিত (*) ঘরগুলো পূরণ করা বাধ্যতামূলক।