খালেদা জিয়া। ছবি: সংগৃহীত
ব্যারিস্টার সাইফুর রহমান ভাই হচ্ছেন আমার সেই বন্ধু যিনি জোর করে হলেও আমার ভালো করার চেষ্টা করেন। উনি আমার এতটাই কাছের যে, সেই অধিকারও ওনার আছে। তো উনি গুলশান পার্টি অফিসে বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে এসে বেগম জিয়ার সম্পর্কে অনেক গুণগান গাইতেন, আর বলতেন চলেন একদিন আপনারে দেখা করাইয়া দিই।
আমি ধরেই নিতাম যেহেতু সাইফুর ভাই রাজনীতি করেন, উনি ওনার নেত্রীর প্রশংসা তো করবেনই। বলতাম—আমি তো রাজনীতি করি না, আমি কেন যাব? সাইফুর ভাই মজার ছলে বললেন, আপনি যদি কখনো রাজনীতি করেন তখন তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা হলে বলতে পারবেন—আমি আপনার মায়ের সঙ্গে রাজনীতি করা লোক…।
রাজি হলাম (প্রকৃত বাংলাদেশপ্রেমী একজন রাজনীতিবিদকে) কাছ থেকে দেখার এবং কথা বলার এই সুযোগটা নিতে… প্রথম ওনার সঙ্গে দেখা করার ব্যবস্থা করে দেন বেগম খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। (শিমুল আঙ্কেল সাইফুর ভাইর আঙ্কেল, সে হিসেবে ওনাকে আমরাও আঙ্কেল বলি।) সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার মীর হেলাল ভাই। সেইদিন হেলাল ভাই সাইফুর ভাই বেগম জিয়ার সঙ্গে শুধু সালাম এবং কুশল মিনিময় করেছেন। সম্ভবত আমাকে কথা বলার সুযোগ দেয়ার জন্যই…
বাংলাদেশের ইতিহাস সাহিত্য সংস্কৃতিতে কিভাবে বাংলাদেশের অস্তিত্ববিনাশী বয়ান তৈরির চেষ্টা হচ্ছে সে সম্পর্কে কিছু কথা বললাম। আমরা ‘বেলাশেষে’ নামের সাহিত্য সভায় এগুলো প্রতিহতের পথ বের করার জন্য যে নিয়মিত আলোচনা পর্যালোচনা করি—সে সম্পর্কেও বললাম। উনি সব কথা শুনে বললেন, ‘দেশের মানুষের কল্যাণ নিয়ে ভাববা, দেশের ভালোর জন্য কাজ করবা।’
প্রথম সাক্ষাতে এমন মহিয়সী মহিরুহর সামনে দাঁড়িয়ে নির্ভয়ে নিঃসঙ্কচে এত কথা বলতে দেখে সাইফুর ভাই সহ অন্যরা একটু অবাকই হলেন…
ওনাকে সামনে থেকে দেখার পরে এবং কথা বলার পরে ওনার সম্পর্কে আরও বেশি জানতে আগ্রহী হলাম। যতই জানলাম ততই বুঝলাম আমাকে ওনার দেওয়া, ‘দেশের মানুষের কল্যাণ নিয়ে ভাববা, দেশের ভালোর জন্য কাজ করবা’—উপদেশটা শুধু উপদেশ না; সারাজীবন উনি যা করেছেন, সে কথাটাই বলেছেন।
বাংলাদেশ যতদিন থাকবে আপনার কল্যাণময় চিন্তার ছায়ায় থেকেই উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে। আল্লাহ আপনাকে বেহেশত নসিব করুন। আমীন।






















































